হাতির মল থেকে কাগজ, দেখে বেশ বিস্মিতই হলাম
শ্রীলঙ্কার গল ফোর্টের পাথুরে দেয়ালে বসে দূর দিগন্তে মিশে যাওয়া নীল জলরাশির দিকে তাকিয়ে ছিলাম। পুরোনো সেই দেয়ালে একের পর এক এসে আছড়ে পড়ছে ভারত মহাসাগরের ঢেউ—কখনো শান্ত, কখনো উত্তাল। বাতাসে লবণাক্ত সোঁদা গন্ধ, সঙ্গে হালকা রোদ আর সমুদ্রের গর্জন—সব মিলিয়ে যেন এক মায়াবী আবেশ। সময় যে কেটে যাচ্ছে, বুঝতেই পারিনি।
হঠাৎই বন্ধুদের ডাক, ‘এই, আর কতক্ষণ! চল, খেয়ে নিই।’ বাস্তবে ফিরতে হলো। ফোর্টের ভেতরেই সমুদ্রের ধারে ছোট্ট, ছিমছাম একটি রেস্তোরাঁ। কাঠের টেবিল-চেয়ার, দেয়ালে পুরোনো ছবি আর জানালার বাইরে অবিরাম নীল জল—সবকিছুতেই একধরনের পুরোনো দিনের আবহ। স্থানীয় খাবারের গন্ধে ক্ষুধাও যেন হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। দ্রুতই অর্ডার দিয়ে গল্প করতে করতে দুপুরের খাবার সেরে নিলাম।
ফোর্টের ভেতরেই যে ভবনের দ্বিতলে আমরা খেলাম, তারই নিচতলায় আছে স্যুভেনিরের দোকান। ছোট্ট হলেও বেশ আকর্ষণীয়—নানা রঙের হস্তশিল্প। ভাবলাম, একটু ঢুঁ মেরে যাই।