চারদিকে এত মারামারি-খুনোখুনি কেন

প্রথম আলো মহিউদ্দিন আহমদ প্রকাশিত: ১৫ মে ২০২৬, ১৫:১৩

বাঙালি অল্পতেই সন্তুষ্ট বলে একটা কথা আছে। মওলানা ভাসানী এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘এ দেশের মানুষ দুবেলা ডালভাত খেতে পারলেই খুশি।’ মওলানা রাজনীতি করতে গিয়ে হাটে-মাঠে-ঘাটে ঘুরেছেন, মানুষের সঙ্গে মিশেছেন। দেখেছেন, দুবেলা সামান্য ডালভাতও জোটে না অনেকের।


দেশে খাদ্যসংকট ছিল। আর ছিল অব্যবস্থাপনা। বছরজুড়েই থাকত নীরব দুর্ভিক্ষ। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ‘শেরেবাংলা’ নামে খ্যাত আবুল কাশেম ফজলুল হক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বলতেন, নির্বাচনে জিতলে তাঁরা সবার জন্য ডালভাতের ব্যবস্থা করবেন। সাধারণ মানুষ ম্যানিফেস্টো পড়ে না, দফার রাজনীতি বোঝে না। তারা ডালভাতের আশায় যুক্তফ্রন্টকে ভোট দিয়েছিল। এর বিপরীত চিত্রটিও আছে। ‘দুই বিঘা জমি’ রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত কবিতা। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এ জগতে হায় সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি/ রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।’ কারও পেটে পান্তা জোটে না, কারও হাতে অঢেল সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তার খাঁই মেটে না।


বেঁচে থাকার জন্য মানুষ কী না করে। কেউ উদয়াস্ত খেটে দিনের খাবার জোগাড় করতে পারে না। আবার কেউ অন্যের শ্রমে-ঘামে উপার্জন করা টাকা কিংবা সম্পদ দখল করতে মরিয়া। এটা করতে গিয়ে সে অনেক মানুষের ওপর চড়াও হয়, হামলা করে, এমনকি খুন পর্যন্ত করে ফেলে। যাদের ওপর দেশের নাগরিকদের দেখভাল করার দায়িত্ব, তাদের অসতর্কতা কিংবা অবহেলার কারণে কত লোকের যে প্রাণ যায়, তার হিসাব কে রাখে। বলা যায়, ব্যক্তি যেমন ব্যক্তিকে মারে, তেমনি রাষ্ট্র মারে তার নাগরিকদের।


আমি গত সোমবারের প্রথম আলো দেখছিলাম। শুধু মন খারাপ করা খবর। প্রতিবেদক শিশির মোড়ল জানাচ্ছেন, হামে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হামের উপসর্গ ও হামে ৪০৯ জনের মৃত্যুর খবর দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


সম্প্রতি হামের সংক্রমণ বেড়ে গেছে। বেরিয়ে আসছে টিকা নিয়ে অবহেলার খবর। এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে। বর্তমান সরকার আগের সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে বসে থাকবে, এটিও গ্রহণযোগ্য নয়। আসলে কি আমাদের স্বাস্থ্য অবকাঠামো এ ধরনের ব্যাপক সংক্রমণ সামলানোর ক্ষমতা রাখে? আমাদের কর্তারা তো হাঁচি উঠলেই চিকিৎসার জন্য বিলেতে যান! হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু ঠেকাতে সরকার দেশজুড়ে টিকার ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। টিকাদান পরিস্থিতি দ্রুত যাচাই পদ্ধতি (আরসিএম) থেকে ইউনিসেফ বলছে, এখনো শহর এলাকায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ এবং গ্রাম এলাকায় ১৫ শতাংশ শিশু টিকা পায়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও