You have reached your daily news limit

Please log in to continue


হামের চিকিৎসায় চাপে পরিবার

হামে আক্রান্ত এক বছরের ছেলেকে নিয়ে টানা প্রায় তিন মাস হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন পিরোজপুরের জাকির হোসেন (ছদ্মনাম)। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ছেলের বেশ জ্বর হলে তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১ মার্চ বাড়ি যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে ছাড়পত্রে শ্বাসতন্ত্রের রোগ ব্রঙ্কাইটিস ও রক্তস্বল্পতার কথা উল্লেখ ছিল। বাড়ি ফেরার দুই দিনের মাথায় শিশুটি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেই থেকে সন্তানের অসুস্থতা নিয়ে ভোগান্তি আর শেষ হচ্ছে না জাকির হোসেনের। রোজগারের পথ বন্ধ করে ছেলের চিকিৎসার পেছনে ছুটে তাঁর আর্থিক অবস্থা এখন সঙিন।

দেশের চলমান মারাত্মক হামের প্রকোপের মধ্যে কমবেশি জাকির হোসেনের মতো অবস্থা আরও হাজারো অভিভাবকের। সন্তানের দীর্ঘ চিকিৎসা তাঁদের অনেকের জন্যই আর্থিক চাপের সৃষ্টি করেছে। কারও কারও জন্য আর্থিক ব্যয়ের বিষয়টি বিপর্যয়ের পর্যায়ে। হামে আক্রান্ত শিশুকে একটি হাসপাতালে নিলেই সুস্থ হচ্ছে, এমন ঘটনা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। শিশুদের নিয়ে ছুটতে হচ্ছে একাধিক জায়গায়।

সার্বিক পরিস্থিতি বুঝতে জাকির হোসেনের অভিজ্ঞতার কথায় ফেরা যাক। ১ মার্চ পিরোজপুর সদর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর শিশুসন্তানকে নিয়ে কয়েকটি হাসপাতালে ছুটেছেন তিনি। এ দফায় প্রথমে বরিশালে প্রাইভেট চেম্বারে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন এবং পরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে ছেলের নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। সাত দিন চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠানো হয়। বাড়িতে অবস্থার অবনতি হলে খুলনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ছেলেকে ১৯ মার্চ আবার হামের নানান লক্ষণসহ পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন জাকির। একপর্যায়ে চিকিৎসকের পরামর্শে শিশুটিকে ঢাকায় আনা হয়। ৩ মে তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ওই দিন রাতেই ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন