যমজ সন্তান কোলে মা–বাবা, একটি মৃত, অন্যটিও হামে আক্রান্ত

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২৬, ০৮:৫৭

বাবার কোলে এক সন্তান। মৃত, শরীর পুরোটা কাপড়ে মোড়ানো। মায়ের কোলে আরেক সন্তান। জীবিত, তবে অসুস্থ। হাম পুরোটা সারেনি।


ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে বের হচ্ছিলেন এই মা-বাবা। তাঁদের দেখে জানতে চাইলাম কী হয়েছিল। তাঁরা জানালেন, তাঁদের যমজ সন্তান রাইসা ও রুমাইসা। দুজনই হামে আক্রান্ত হয়েছিল। রাইসাকে বাঁচানো যায়নি।


বাবা-মায়ের নাম কামরুজ্জামান ও জান্নাতি বেগম। এবারের হামে যে শত শত মা-বাবা সন্তান হারিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দুজন তাঁরা। বাড়ি ফরিদপুরে।


ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম নারীদের ফিস্টুলা সমস্যা নিয়ে প্রতিবেদনের কাজে। সেখানে গিয়ে গতকাল বুধবার বেলা দেড়টার দিকে দেখা হয়ে যায় এই পরিবারের সঙ্গে। তাঁদের তখন বাড়ি ফেরার ব্যস্ততা। অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়েছে। তাঁরা ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। এই ফাঁকে কিছু সময় কথা বলার সুযোগ হয়।


পরিবারটি জানায়, পাঁচ মাস বয়সী রাইসা ও রুমাইসার জন্ম হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই। জন্মের পর নানা জটিলতায় ১৫ দিন নবজাতকদের বিশেষ পরিচর্যাকেন্দ্রে ছিল ওরা। গতকালই সকালে বাবা-মায়ের কোলে চড়ে এই দুই বোন আবার এসেছিল হাসপাতালটিতে, হামে আক্রান্ত হয়ে।


বাবা কামরুজ্জামান বললেন, সকালে তাঁরা ফরিদপুর সদর হাসপাতাল থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে আসেন। বেলা ১১টার দিকে রাইসা মারা যায়।


হাসপাতাল থেকে রাইসার যে মৃত্যুসনদ দেওয়া হয়েছে, তাতে মৃত্যুর কারণ হিসেবে হাম-পরবর্তী জটিলতা এবং হামের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিতে যাতে কোনো ঝামেলা না হয়, সে জন্য হাসপাতাল থেকে দেওয়া আরেকটি কাগজে লিখে দেওয়া হয়েছে, এটি কোনো ‘পুলিশ কেস’ নয়। হাম-পরবর্তী জটিলতায় মৃত্যু হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও