এক বৃষ্টিস্নাত শীতল সকালে উত্তরপশ্চিম কাবুলের পাহাড় ঘেরা এক কবরস্থানের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন মাসুদা। সেখানে শায়িত তার ছোট ভাই মিরওয়াইস।
তবে দুই মাস আগে পাকিস্তানি বিমান হামলায় নিহত ভাইয়ের কবরটি ঠিক কোথায়, তা মাসুদা জানেন না। এর বদলে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন একটি গণকবরের কিনারে; ছোট সাদা পাথরে ঢাকা আর ধূসর গ্রানাইট স্ল্যাব দিয়ে চিহ্নিত এই স্থানটিই এখন অন্তত ২৬৯ জন মানুষের শেষ ঠিকানা, যারা একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে হওয়া ওই হামলায় প্রাণ হারান।
এই কবরে ঠিক কতজন শায়িত আছেন তা বলা অসম্ভব। ২৪ বছর বয়সী মিরওয়াইসের মতো অনেকের দেহই শনাক্ত করার অবস্থায় ছিল না, কারো দেহ ছিল ছিন্নভিন্ন, কেউবা পুড়ে অঙ্গার হয়ে গিয়েছিল।