You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সৌর বিদ্যুৎ : সম্ভাবনার আলো এবং জ্বালানি স্বনির্ভরতার পথরেখা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আজ এক গভীর রূপান্তরের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ চাহিদা, অন্যদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির সীমাবদ্ধতা ও আমদানি নির্ভরতার চাপ—এই দুইয়ের মাঝে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ, ধীরে ধীরে বিকল্প থেকে সম্ভাব্য মূলধারার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সূর্যের অফুরন্ত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই প্রযুক্তি কেবল বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান নয়; বরং এটি একটি সম্ভাব্য শিল্প বিপ্লবের সূচনা হতে পারে, যদি বাংলাদেশ এটিকে সঠিকভাবে শিল্পায়নের পথে নিয়ে যেতে পারে।

দুই.

সৌর বিদ্যুৎ দিয়ে বিদ্যুৎ খরচ কমানো—এটি এখন আর তাত্ত্বিক বিষয় নয়; বাস্তবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা জায়গায় এর কার্যকর উদাহরণ তৈরি হয়েছে। এখানে কয়েকটি বাস্তবধর্মী কেস স্টাডি বর্ণনামূলকভাবে তুলে ধরা হলো, যাতে বোঝা যায় কীভাবে সোলার ব্যবহারে খরচ কমে এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায়।

শিল্প কারখানায় ছাদভিত্তিক সোলার: গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানার অভিজ্ঞতা-

গাজীপুরের একটি মাঝারি আকারের তৈরি পোশাক কারখানা কয়েক বছর আগে বিদ্যুৎ ব্যয়ের চাপে পড়ে। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ পেলেও লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটের কারণে তাদের ডিজেল জেনারেটর চালাতে হতো, যা উৎপাদন খরচ অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছিল।

পরবর্তীতে তারা কারখানার ছাদে প্রায় ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার প্যানেল স্থাপন করে। দিনে কারখানার বিদ্যুতের প্রায় ৩০–৪০ শতাংশ এই সোলার থেকেই আসতে শুরু করে।

ফলাফল ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথমত, ডিজেল ব্যবহার প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়। দ্বিতীয়ত, বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে “গ্রিন ফ্যাক্টরি” হিসেবে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে, যা রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে তারা বিনিয়োগের অর্থও তুলে ফেলতে সক্ষম হয়।

কৃষিতে সোলার সেচ পাম্প: রাজশাহীর একটি গ্রামীণ মডেল-

উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান অঞ্চল রাজশাহীতে দীর্ঘদিন ধরে ডিজেলচালিত সেচ পাম্প ব্যবহার করা হতো। এতে কৃষকের খরচ বাড়ত, আর ডিজেলের দামের ওঠানামা তাদের উৎপাদন ব্যয়কে অনিশ্চিত করে তুলত। একটি কৃষক সমবায় প্রকল্পের মাধ্যমে সেখানে সোলারচালিত সেচ পাম্প স্থাপন করা হয়। শুরুতে কিছু বিনিয়োগ লাগলেও পরে দেখা যায়, সেচ খরচ প্রায় ৫০–৭০ শতাংশ কমে গেছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে দীর্ঘমেয়াদে— ডিজেলের জন্য আর নগদ খরচ করতে হয় না, বিদ্যুৎ বিলের ঝামেলা নেই, এবং অতিরিক্ত সময়েও পানি তোলা সম্ভব হয়। কৃষকেরা এখন শুধু নিজেদের জমিই নয়, পাশের জমিতেও সেচ দিয়ে আয় করছেন।

গ্রামীণ পরিবারে সোলার হোম সিস্টেম: অফ-গ্রিড জীবনের পরিবর্তন-

বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলে লাখো পরিবার আগে কেরোসিনের আলো ব্যবহার করত। এতে খরচ যেমন ছিল, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকিও ছিল।

সোলার হোম সিস্টেম চালু হওয়ার পর এই চিত্র বদলে যায়। একটি সাধারণ ৫০–১০০ ওয়াটের সিস্টেম দিয়ে ঘরের আলো, ফ্যান, মোবাইল চার্জিং এবং ছোট টিভি চালানো সম্ভব হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন