সাইবার অপরাধ বাড়লেও পুলিশের জনবলে ঘাটতি

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৬, ০৯:৫৮

কয়েক দিন আগে এক তরুণী উদ্যোক্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন বুলিংয়ের প্রতিকারের জন্য তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হননি। তিনি ফেসবুকে তাঁকে আক্রমণকারী ১০ জনকে শনাক্ত করে ই-মেইলে তাঁদের কর্মস্থলে অভিযোগ করেন। অফিসগুলো ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।


ওই তরুণীর কথার সারমর্ম হলো, সাইবার অপরাধের অভিযোগে মামলা করলে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার, পুলিশের তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা, প্রক্রিয়াগত জটিলতা ও বিচার পাওয়া সময়সাপেক্ষ হওয়ায় তিনি আইনি প্রতিকারের পথে না গিয়ে এই পথ বেছে নিয়েছেন।


দেশে সাইবার অপরাধ অনেক বাড়লেও এই তরুণীর মতো অধিকাংশ ভুক্তভোগীই মামলা করেন না। পুলিশেরই এক গবেষণায় উঠে এসেছে, অনলাইনে বিভিন্ন হয়রানির শিকার ৮৯ শতাংশ কিশোরী ও তরুণী মামলা করে না। ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের প্রতারণার অভিযোগে মামলার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।


সাইবার অপরাধের মামলা তদন্তে পুলিশের সাইবার কোনো ইউনিট নেই। এ-সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ছোট টিম। সাইবার অপরাধ আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় তা দমনে পিবিআই বা সিআইডির মতো আলাদা সাইবার ইউনিট গঠন করতে সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও