হাওরাঞ্চল: সরকারের শর্তে বিপাকে কৃষক

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১০ মে ২০২৬, ০৯:৩৩

হাওরে পানিতে তলিয়ে যাওয়া বোরোখেত থেকে যে ধান সংগ্রহ করেছেন, তা ঠিকমতো শুকাতে না পারায় দাম পাচ্ছেন না প্রান্তিক চাষিরা। এমনকি সরকারি গুদামের আর্দ্রতার শর্ত আর খোলাবাজারে ধসের মুখে পড়ে পানির দরে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।


কিশোরগঞ্জের কৃষকেরা জানান, ভেজা ধান নিয়ে তাঁরা সরকারি খাদ্যগুদামে গেলেও তা দিতে পারেননি। গুদামে ধান সংগ্রহের জন্য সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ আর্দ্রতার শর্ত দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে না পারায় কৃষকদের ধানে আর্দ্রতা পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ২২ শতাংশ। ফলে গুদাম থেকে ধান ফেরত আসায় পরিবহন খরচ জোগাতে গিয়ে আরও দেনায় পড়ছেন কৃষক।


ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি এলাকার কৃষক শওকত আলী আক্ষেপ করে বলেন, ‘খেতে পানি জইম্যা রইছে। অনেক কষ্টে ধান কাইটা আনছি। কিন্তু রোইদ নাই, ধান শুকামু কই? গুদামে নিলে কয় ধান ভেজা। অহন বাজারে ৫০০-৬০০ টেহা মণ বেচতাছি। ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও পরিবহন খরচ দিয়ে মোট উৎপাদন খরচ হইছে ১,৩৫৪ টেহা।’


মাঠপর্যায়ের তথ্যানুযায়ী, চলতি মৌসুমে প্রতি একরে গড় ফলন হয়েছে ৭০ মণ। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ায় সেই ধান ঘরে তোলা এখন কৃষকের জন্য মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটতে শ্রমিক সংকট প্রকট আকার ধারণ করায় একরপ্রতি কাটার মজুরি ৫০০-৬০০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায়।


​মাড়াই, ঝাড়াই ও পরিবহন খাতে যেখানে আগে ৮-১০ হাজার টাকা খরচ হতো, এখন তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতার কারণে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০-২৫ হাজার টাকায়। অর্থাৎ, মাত্র দেড় সপ্তাহের ব্যবধানে একরপ্রতি খরচ বেড়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও