ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: চরম আবাসন সংকটে ছাত্রীরা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৯ মে ২০২৬, ০৮:৫৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার। বাড়ি গাজীপুর। সেখান থেকে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে এসে ক্লাস-পরীক্ষা চালানো কঠিন হয়ে যায় তাঁর। চেষ্টা করছেন আবাসিক হলে ওঠার। কিন্তু হলগুলোতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় সম্ভব হচ্ছে না।


ফারজানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিন যাওয়া-আসায় অন্তত পাঁচ ঘণ্টা সময় চলে যায় পথেই। এত দূর থেকে এসে ক্লাস করা, পরীক্ষা দেওয়া ও পড়াশোনা ঠিক রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রী ফারজানা।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন শিক্ষার্থী ৪১ হাজারের মতো। এর মধ্যে ছাত্র প্রায় ২২ হাজার এবং ছাত্রীর সংখ্যা ১৯ হাজারের কাছাকাছি। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য হল আছে ১৮টি। ছাত্রদের হল ১৩টি এবং ছাত্রীদের ৫টি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, বর্তমানে মোট শিক্ষার্থীর প্রায় অর্ধেক নারী। অনেক অনুষদ ও বিভাগে নারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা পুরুষদের সমান কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি। কিন্তু আবাসন সুবিধার ক্ষেত্রে সেই অনুপাতে অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ ঘটেনি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন নারী শিক্ষার্থীরাই।


ছাত্রীরা থাকেন পাঁচটি হলে। এগুলো হলো—রোকেয়া হল, শামসুন নাহার হল, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও সুফিয়া কামাল হল। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৮ হাজার ৯০২ নারী শিক্ষার্থীর বিপরীতে এক সিটে দুজন থাকার মাধ্যমে পাঁচটি হলে আবাসিক হতে পেরেছেন ৯ হাজার ৫ জন। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি ছাত্রী ক্যাম্পাসের বাইরে থেকে এসে প্রতিদিন ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন আবাসন সংকটে গণরুম এবং গাদাগাদি করে বসবাসের বাস্তবতায় দিন কাটাচ্ছেন নারী শিক্ষার্থীরা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও