নাজমুলের ১০১, মুমিনুলের ৯১—মিরপুরে বাংলাদেশের দারুণ দিন

প্রথম আলো শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রকাশিত: ০৮ মে ২০২৬, ১৯:০২

হঠাৎ করেই যেন রাজ্যের ক্লান্তি ভর করল শরীরে। ড্রেসিংরুমে ফেরার পথটাতে পা চলতে চাইছিল না। চেহারায় পড়া রোদের ঝিলিক ঢাকতে পারছিল না ক্লান্তি, হতাশা। টেস্ট ক্রিকেটকে রীতিমতো ওয়ানডে বানিয়ে ব্যাটিং করছিলেন এতক্ষণ, বাজে বলে তো বটেই, কখনো কখনো ভালো বলেও চালিয়ে দিচ্ছিলেন ব্যাট। দোর্দণ্ড প্রতাপে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিন অঙ্কের জাদুকরি সংখ্যায়। কিন্তু ওখানেই যে শেষ নাজমুল হোসেনের!


শেষ সেশনে মুমিনুল হকের ফেরাটাও হয়েছে প্রায় একই রকম, হতাশায় বাতাস ভারী করে। নাজমুলের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য; নাজমুল ফিরেছেন সেঞ্চুরি করে, মুমিনুল টেস্টে নিজের ১৪তম সেঞ্চুরি থেকে ৯ রান দূরে থাকতে। তবু এটা না বলে উপায় নেই যে পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে আজ বাংলাদেশের করা ৪ উইকেটে ৩০১ রানের সংগ্রহটাকে সাজিয়ে দিয়েছেন এ দুজনই।


নাজমুল ফিফটি করা মানেই সেঞ্চুরি হয়ে যাওয়া। টেস্টে এখন পর্যন্ত ১৪ বার ফিফটি ছুঁয়ে ৯ বারই সেঞ্চুরি। গত বছর জুনে শ্রীলঙ্কায় গল টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির পর চলতি মিরপুর টেস্ট পর্যন্ত খেলা পাঁচ টেস্টের চারটিতেই পেয়েছেন তিন অঙ্কের দেখা। কিন্তু আজকেরটিসহ ৯ সেঞ্চুরির সর্বশেষ দুটিতে তিন অঙ্কে পৌঁছে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে ফিরতে হয়েছে ড্রেসিংরুমে। আগের সেঞ্চুরিটি ছিল গত নভেম্বরে সিলেটে।আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেদিন ঠিক ১০০ করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন নাজমুল।


শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের সবুজ উইকেট রানপ্রসবা। শাহীন আফ্রিদির করা দিনের প্রথম বলে মাহমুদুল হাসানের দারুণ ফ্লিকে মারা বাউন্ডারি সে ঘোষণাই দিয়েছিল দিনের শুরুতে। পরের বলেও চার, যদিও সেটি আসে লেগ বাই থেকে। তবু স্লিপে একবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়া¬মাহমুদুল এবং আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম এই উইকেটে ব্যাটিংটা উপভোগ করে যেতে পারেননি। দলের ৩১ রানের মধ্যে ফিরতে হয় দুজনকেই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও