অনিদ্রা ও মানসিক চাপ থেকে যেভাবে মুক্তি পাবেন

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৮ মে ২০২৬, ১৩:০৯

দিনভর কাজের চাপ, ভবিষ্যতের চিন্তা কিংবা দুশ্চিন্তা নিয়ে রাতে বিছানায় গেলেন। এপাশ-ওপাশ করছেন, কিন্তু ঘুম আসছে না। ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলছে আর আপনার দুশ্চিন্তাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এ গল্প আমাদের অনেকের। আপনি কি জানেন, মানসিক চাপ আর ঘুম একে অপরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে? একে বলা হয় স্লিপ-স্ট্রেস সাইকেল বা ঘুম ও চাপের দুষ্টচক্র।


মানসিক চাপ যেভাবে ঘুমের বারোটা বাজায়


মানসিক চাপ শুধু একটি আবেগ নয়, এটি শরীরের একটি জৈবিক প্রতিক্রিয়া। যখন আমরা মানসিক চাপে থাকি, শরীর তখন কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ করে। সাধারণত রাতে কর্টিসলের মাত্রা কমে যায়, যাতে আমরা ঘুমানোর প্রস্তুতি নিতে পারি। কিন্তু দুশ্চিন্তার কারণে কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর মনে করে সে কোনো বিপদে আছে। ফলে মস্তিষ্ক সজাগ থাকে এবং ঘুম আসতে দেরি হয়। মানসিক চাপের কারণে গভীর ঘুম ব্যাহত হয়। এর ফলে রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা হালকা ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে রাতে দুঃস্বপ্ন দেখার প্রবণতা বেড়ে যায়, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।


ঘুম না হওয়া যেভাবে চাপ বাড়ায়


উল্টোটাও সমানভাবে সত্যি। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে পরদিন এর প্রভাব পড়ে আমাদের মনে ও কাজে। ঘুম কম হলে মানুষের আনন্দ বা উৎসাহের অনুভব কমে যায়। সামান্য কারণেও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। মাত্র ১ থেকে ২ ঘণ্টা কম ঘুমালেও পরের দিন কাজে মনোযোগ দিতে সমস্যা হয় এবং ভুল হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এ অবস্থা পরোক্ষভাবে কাজের চাপ বা মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। যাঁরা নিয়মিত ৬ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাঁদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক অবসাদের ঝুঁকি প্রায় আড়াই গুণ বেশি থাকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও