টিকা কার্যক্রম চলমান, তবুও কেন বাড়ছে হামে শিশু মৃত্যু?

ঢাকা পোষ্ট প্রকাশিত: ০৭ মে ২০২৬, ১১:২২

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে রেকর্ড ১৭ জন শিশুর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মার্চের মাঝামাঝি থেকে হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকে সরকার দেশব্যাপী ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এমআর-১ বুস্টার ডোজ টিকা প্রদান শুরু করেছে। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, সরকারের নেওয়া টিকা কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ।


গত ২৯ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. চিরঞ্জিত দাস জানান, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা দেখাতে সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে, যা আমরা ইতোমধ্যে পেয়েছি। কিন্তু টিকা কার্যক্রম শুরুর এক মাসের মাথায় হামে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে চিন্তার কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।


পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রধানত টিকা কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে, যা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ সতর্কতা বাস্তবে এক ধরনের মহামারিরই ইঙ্গিত দেয়। এ পরিস্থিতিতে আরও আগেই ‘জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা’ ঘোষণা করা দরকার ছিল, কিন্তু সরকার সেটি করেনি। পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা এবং শক্তিশালী রোগ নজরদারি ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। এছাড়া, আক্রান্ত এলাকা চিহ্নিত করে কঠোর আইসোলেশন ব্যবস্থা করা উচিত ছিল, কিন্তু সরকার সেটিও করেনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও