You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সিদ্ধ ডিম, গরিবের প্রোটিন না স্মার্ট লাইফস্টাইলের সুপারফুড?

সকালের নাস্তার টেবিলে একপাশে রাখা একটি সাদামাটা সিদ্ধ ডিম, এ যেন বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত খাবারগুলোর একটি। কারও কাছে এটি ভাতের সঙ্গে সহজ এক সাইড আইটেম, আবার কারও কাছে জিম-ডায়েটের অপরিহার্য অংশ। প্রশ্নটা তাই স্বাভাবিক সিদ্ধ ডিম কি শুধু ‘গরিবের প্রোটিন’, নাকি আধুনিক স্মার্ট লাইফস্টাইলের এক গুরুত্বপূর্ণ সুপারফুড?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের তাকাতে হবে ডিমের পুষ্টিগুণ, সামাজিক বাস্তবতা এবং বর্তমান খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের দিকে। চলুন জেনে নেই এর বিস্তারিত-

সিদ্ধ ডিমের পুষ্টিগুণ

সিদ্ধ ডিমকে অবহেলা করার সুযোগ খুব কম। একটি মাঝারি আকারের ডিমে থাকে প্রায় ৬-৭ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন, যা শরীরের পেশি গঠন, টিস্যু মেরামত এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শুধু প্রোটিনই নয়, ডিমে রয়েছে ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, সেলেনিয়াম, কোলিন (মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত জরুরি)। এই পুষ্টিগুণগুলো একসঙ্গে খুব কম খাবারেই পাওয়া যায়। তাই পুষ্টিবিদরা ডিমকে ‘কমপ্লিট ফুড’ বা প্রায় পূর্ণাঙ্গ খাবার বলেই উল্লেখ করেন।

গরিবের প্রোটিন-এই ট্যাগ কোথা থেকে এলো?

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডিম দীর্ঘদিন ধরেই একটি সাশ্রয়ী প্রোটিনের উৎস। যেখানে মাংস বা মাছ প্রতিদিন সবার নাগালে থাকে না, সেখানে একটি সিদ্ধ ডিম অনেক পরিবারের জন্য সহজলভ্য পুষ্টির ভরসা। গ্রামের স্কুলপড়ুয়া শিশু থেকে শুরু করে শহরের নিম্নআয়ের পরিবার, ডিম তাদের খাদ্যতালিকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এই বাস্তবতা থেকেই ‘গরিবের প্রোটিন’ তকমাটি এসেছে। তবে এই ট্যাগের ভেতরে একধরনের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিও কাজ করে, যেখানে সস্তা মানেই কম মূল্যবান বলে ভাবা হয়। অথচ বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন