এনসিটির সঙ্গে সিসিটিও চায় ডিপি ওয়ার্ল্ড

প্রথম আলো চট্টগ্রাম বন্দর প্রকাশিত: ০৫ মে ২০২৬, ১০:১৫

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) দীর্ঘ মেয়াদে ইজারাপ্রক্রিয়া আবারও গতি পাচ্ছে। তবে এবার শুধু এনসিটি নয়, এর পাশে থাকা চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) মিলিয়ে একক টার্মিনাল হিসেবে একসঙ্গে আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বন্দর অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ড।


বাংলাদেশ-দুবাই যৌথ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্ল্যাটফর্মের চতুর্থ সভায় এ আগ্রহ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি। ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং পরবর্তী বৈঠকে এটি পৃথক প্রকল্প হিসেবে বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম আলোর হাতে আসা সভার কার্যবিবরণী থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি শ্রমিক আন্দোলনের মুখে এনসিটি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিতের ঘোষণা দেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন করে শুরু হওয়া প্রক্রিয়ায় এখন আরও বড় পরিসরে বিনিয়োগ ও পরিচালনার প্রস্তাব দিল দুবাইভিত্তিক বন্দর পরিচালনাকারী কোম্পানিটি।


আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তরের পর চট্টগ্রাম বন্দরের হাতে তিনটি টার্মিনাল চালু রয়েছে। টার্মিনাল তিনটি হলো জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি), সিসিটি ও এনসিটি। এগুলো বর্তমানে দেশি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৯৫০ মিটার লম্বা এনসিটি দেশের প্রধান কনটেইনার টার্মিনাল, যেখানে একসঙ্গে চারটি সমুদ্রগামী ও একটি ছোট কনটেইনার জাহাজ ভেড়ানো যায়। এনসিটির পাশে থাকা সিসিটি টার্মিনালে একসঙ্গে দুটি জাহাজ ভেড়ানো যায়। আর জেসিবিতে ছয়টি কনটেইনার জেটিতে পাঁচটি জাহাজ ভেড়ানো যায়। এই তিন টার্মিনালের বাইরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লালদিয়ার চরে নতুন টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ডেনমার্কের মায়ের্সক লাইনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। টার্মিনালটি নির্মাণের পর চালু হবে, সে জন্য আরও বছর তিনেক অপেক্ষা করতে হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও