হরমুজ সংকটের মধ্যেই কেন উত্তপ্ত হচ্ছে বাব–এল-মান্দেব

প্রথম আলো কুর্নিওয়ান আরিফ মাসপুল প্রকাশিত: ০২ মে ২০২৬, ২১:৫৪

বাব–এল-মান্দেব প্রণালির নামের একটি অশুভ অর্থ রয়েছে। তা হলো ‘কান্নার দুয়ার’। বর্তমানে এই নাম অত্যন্ত নির্মমভাবে সত্যি হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোহিত সাগর ও অ্যাডেন উপসাগরকে যুক্ত করা এই সরু সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের ১০ শতাংশের বেশি সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালিত হয়। একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্য, হর্ন অব আফ্রিকা এবং দিন দিন ভেঙে পড়া বিশ্বব্যবস্থার পুঞ্জীভূত উত্তেজনার ভারও বহন করছে।


গাজায় যা ঘটছে, তা কেবল গাজার ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই। তেল আবিবের সিদ্ধান্তের প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে মোগাদিসুতে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতাকে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতিকে প্রথম দেখায় একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ মনে হতে পারে। তবে এটি বিশ্বের অন্যতম নাজুক এক অঞ্চলে রণকৌশলগত উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢালার কাজ করছে।


প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়ে ইসরায়েল সরাসরি সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছে, যা মোগাদিসুর সরকারকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও