৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত এখনো সারেনি, এপ্রিল এলেই আতঙ্ক বাড়ে উপকূলে

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৫৪

কক্সবাজারের উপকূলে আজ এক বিষাদময় দিন। স্মৃতিপটে ভেসে উঠছে ৩৫ বছর আগের সেই ভয়ংকর রাত, যখন মুহূর্তে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল সাজানো সংসার। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের সেই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও ২০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের মরণকামড় উপকূলীয় মানুষের হৃদয়ে আজও এক গভীর ক্ষত এবং অন্তহীন আতঙ্কের নাম। সাড়ে তিন দশক পেরিয়ে গেলেও কুতুবদিয়া, মহেশখালী, ঈদগাঁও, পেকুয়া ও চকরিয়ার বিস্তীর্ণ জনপদ আজও সেই ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে।


সেদিনের সেই বিভীষিকা বর্ণনা করতে গিয়ে ঈদগাঁওর ইসলামাবাদ টেকপাড়া গ্রামের জহির আহমদ (৬৫) আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি হারান তার মা, সন্তান ও স্ত্রীকে। জহির বলেন, ‌‘জলোচ্ছ্বাস আমার স্বজনদের মৃতদেহটি পর্যন্ত দেখার সুযোগ দেয়নি। আজ ৩৫ বছর পরও সেই স্মৃতি আমায় তাড়িয়ে বেড়ায়।’ কেবল জহির নন, কক্সবাজারের কয়েক লাখ মানুষ আজও প্রিয়জন হারানোর বেদনায় নীল হয়ে আছেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৯১-এর সেই ভয়াল রাতে নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন মানুষের সলিল সমাধি হয়েছিল। জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, চকরিয়ার বদরখালী থেকে শুরু করে মহেশখালীর মাতারবাড়ি-ধলঘাটা পর্যন্ত সর্বত্র লাশের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে গিয়েছিল। তাই উপকূলীয় মানুষের হৃদয়ে ২৯ এপ্রিল একটি গভীর ক্ষত এবং অন্তহীন আতঙ্কের নাম। প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও ২০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের যে মরণকামড় উপকূলে বসেছিল, তার বিভীষিকা আজও কাটেনি। ৩৫ বছর পেরিয়ে গেলেও কুতুবদিয়া, মহেশখালী, ঈদগাঁও, পেকুয়া, চকরিয়া এবং টেকনাফের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল এখনো নিরাপদ হয়ে ওঠেনি।


প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গত তিন দশকে সক্ষমতা বাড়লেও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জরাজীর্ণ আশ্রয়কেন্দ্রের কারণে প্রতি বছর এপ্রিল-মে মাস এলেই এক অজানা আশঙ্কায় প্রহর গোনে জেলার উপকূলের কয়েক লাখ মানুষ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও