অলৌকিক মানুষের খোঁজে একজন আফরিন
গলায় একটা দলা পাকানো কষ্ট আটকে আছে। হাজার চেষ্টায়ও তা নামছে না। আমাকে এই কষ্টে ফেলেছে সাড়ে ছয় বছরের আফরিন হোসেন।
অদ্ভুত মায়াময় এই মেয়েটির এখন স্কুলে যাওয়ার কথা। মা-বাবার সাথে ছুটির দিনে পার্ক, চিড়িয়াখানা বা মেলায় ঘুরতে যাওয়ার কথা। কিন্তু সে এখন হাসপাতালের বিছানায়। সে জানে না, তার বিছানা লাগোয়া জানালার পাশে ‘উটের গ্রীবার মতো’ মৃত্যুর আশঙ্কা এসে উঁকি দিচ্ছে। কথাটা জানেন চিকিৎসকেরা। আর জানেন, আফরিনের মা রাশামনি আর বাবা আবুল হোসেন।
রাশামনি আর আবুল হোসেন যদি জানতেন, তাঁদের মেয়েটির বাঁচার কোনো পথ খোলা নেই, তাহলে হয়তো আশা ছেড়ে দিয়ে মেয়েকে কোলে নিয়ে তার চিরবিদায়ের জন্য অপেক্ষা করতে পারতেন।