প্রত্যাখ্যানে ব্যথিত, নাকি আপনি ‘আরএসডি’র শিকার
প্রত্যাখ্যানে ব্যথিত, নাকি আপনি ‘আরএসডি’র শিকার— এটি বুঝে নেওয়া জরুরি। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ‘ঘোস্টিং’ কিংবা ‘সিন জোন’ হওয়া খুব পরিচিত এক অভিজ্ঞতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আর দ্রুতগতির এই জীবনে আমরা সবাই কমবেশি প্রত্যাখ্যান বা রিজেকশনের মুখে পড়ি। কারও ক্ষেত্রে এটি স্রেফ কয়েক মুহূর্তের মন খারাপ, আবার কারও কাছে এটি হয়ে দাঁড়ায় পাহাড়সমান মানসিক যন্ত্রণা। যদি কোনো ছোট অবহেলা বা প্রত্যাখ্যান ‘অসহ্য’ বা ‘বিধ্বংসী’ মনে হয়, তবে আপনি হয়তো রিজেকশন সেনসিটিভ ডিসফোরিয়া বা আরএসডির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। প্রত্যাখ্যান জীবনেরই অংশ। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনাকে সেই যন্ত্রণায় দগ্ধ হতে হবে। যদি প্রতিনিয়ত রিজেকশনের ভয়ে থাকেন, তাহলে মনে রাখবেন, এটি আপনার কোনো চারিত্রিক দুর্বলতা নয়; আপনার মস্তিষ্কের একটি বিশেষ প্রতিক্রিয়া মাত্র। সঠিক যত্ন আর সচেতনতার সঙ্গে এই পাহাড়সমান আবেগ মোকাবিলা করা সম্ভব।
আরএসডি আসলে কী
‘ডিসফোরিয়া’ শব্দটির গ্রিক অর্থ হলো তীব্র যন্ত্রণা বা অস্বস্তি। সাধারণ মানুষের রিজেকশন সহ্য করার ক্ষমতার চেয়ে আরএসডি আক্রান্তদের প্রতিক্রিয়া হয় বহুগুণ তীব্র। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রোগ বা মেডিকেল ডায়াগনসিস না হলেও বিশেষজ্ঞরা একে এডিএইচডির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত বলে মনে করেন। যেখানে সাধারণ মানুষ নেতিবাচক অনুভূতিগুলো দ্রুত সামলে নিতে পারে, সেখানে আরএসডি আক্রান্তদের ক্ষেত্রে সেই আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
- ট্যাগ:
- লাইফ
- প্রত্যাখ্যান