এয়ার কুলারেই পাবেন এসির মতো ঠান্ডা হাওয়া
গরমের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে ঘরের ভেতরেও যেন অস্বস্তিকর এক তাপপ্রবাহ তৈরি হয়। অনেকেই এসি কেনার কথা ভাবেন, কিন্তু বিদ্যুৎ খরচ, দাম এবং রক্ষণাবেক্ষণের কারণে তা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। ঠিক এই জায়গাতেই বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এয়ার কুলার। অনেকেই এখন বলছেন এয়ার কুলারেই পাওয়া যাচ্ছে এসির মতো ঠান্ডা হাওয়া। তবে বাস্তবে বিষয়টা একটু ভিন্নভাবে বোঝা দরকার।
এয়ার কুলার কীভাবে কাজ করে
এয়ার কুলার মূলত পানি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাতাস ঠান্ডা করে। এর ভেতরে একটি পানির ট্যাংক এবং কুলিং প্যাড থাকে। ফ্যানের সাহায্যে গরম বাতাস কুলিং প্যাডের ভেতর দিয়ে টেনে নেওয়া হয়, যেখানে পানি বাষ্প হয়ে তাপ শোষণ করে বাতাসকে ঠান্ডা করে দেয়। এরপর সেই বাতাস ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
এসির মতো ঠান্ডা কি সত্যিই পাওয়া যায়?
সোজা উত্তর হলো পুরোপুরি এসির মতো না, তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রায় কাছাকাছি অনুভূতি পাওয়া যায়। শুষ্ক গরম আবহাওয়ায় এয়ার কুলার খুব ভালো কাজ করে। ঘরের বাতাস যদি চলাচল করে, তাহলে ঠান্ডা অনুভূতি আরও বেশি হয়। কিন্তু অতিরিক্ত আর্দ্রতা থাকলে এর কার্যকারিতা কমে যায়। বাংলাদেশের মতো আর্দ্র আবহাওয়ায় তাই এয়ার কুলার সবসময় এসির মতো ঠান্ডা দিতে পারে না, তবে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
কেন এখন সবাই এয়ার কুলারের দিকে ঝুঁকছে? মূলত এয়ার কুলারের জনপ্রিয়তার পেছনে কয়েকটি বড় কারণ আছে
- বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম
- দাম তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী
- সহজে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নেওয়া যায়
- ইনস্টলেশনের ঝামেলা নেই
- পরিবেশবান্ধব (ফ্রিওন গ্যাস ব্যবহার হয় না)
- কোন ধরনের ব্যবহারকারীদের জন্য ভালো
- ট্যাগ:
- প্রযুক্তি
- এয়ার কুলার