You have reached your daily news limit

Please log in to continue


চট্টগ্রাম মহানগর: বিদ্যুতের ভোগান্তি পানিতেও

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের কারণে লোডশেডিং বেড়েছে। গত বৃহস্পতিবার ১৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট থেকে ১৭২ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। এবার এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পানি সরবরাহে। চট্টগ্রাম ওয়াসা জানিয়েছে, লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় পানি উৎপাদন কমেছে ৪ কোটি লিটার। তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে কষ্টে থাকা মানুষ এবার ভুগছে পানিসংকটে।

চট্টগ্রাম ওয়াসা থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, চট্টগ্রাম ওয়াসার গ্রাহকদের দৈনিক পানির চাহিদা ৬০ কোটি লিটার। এর মধ্যে ওয়াসা সরবরাহ করতে পারে ৫০ কোটি লিটার। বর্তমান সময়ে জ্বালানিসংকট ও লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন নেমেছে ৪৬ কোটি লিটারে। অর্থাৎ ৪ কোটি লিটার পানি কম সরবরাহ করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, কর্ণফুলী, হালদার পানির স্তরও ৪ ফুটের মতো কমেছে। এতে করে পানি তুলে তা পরিশোধনও কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে পরিস্থিতি আরেকটু জটিল হয়েছে। এতে পানির উৎপাদন কমেছে।

পিডিবি থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করার পেছনে রয়েছে গ্যাস ও জ্বালানিসংকট, রক্ষণাবেক্ষণে জটিলতা এবং কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর কমে যাওয়া। এখানকার ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে ৯টি বন্ধ রয়েছে। ফলে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই অবস্থায় জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় নগর ও গ্রামাঞ্চলজুড়ে লোডশেডিং বাড়ছে, বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে চাহিদা মেটাতে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার লোডশেডিং ছিল ১৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট থেকে ১৭২ মেগাওয়াট পর্যন্ত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন