গ্রামে ভয়াবহ লোডশেডিং: ভুগছে কৃষি, পোল্ট্রি, মৎস্য খাত

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫০

জ্বালানি সংকটের মধ্যে গ্রীষ্মের শুরুতেই ভয়াবহ লোডশেংডিয়ের কবলে পড়েছে দেশ; তীব্র গরমের এই সময়ে শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষকে ভুগতে হচ্ছে বেশি।


শহরের পাঁচ-ছয় ঘণ্টা লোডশেডিং হলেও গ্রামের মানুষ কোথাও কোথাও ১০-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ আসছে।


আর তাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কৃষি, পোল্ট্রি ও মৎস্য খাতে; ক্ষতির মুখে পড়ছে গ্রামীণ অর্থনীতি। বিদ্যুৎ স্বল্পতার সঙ্গে জ্বালানি তেলের সংকট শিল্প-কলকারখানার সক্ষমতাকে ব্যাহত করছে।


বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপাদন হচ্ছে। এ পরিস্থিতির জন্য ভারতের আদানির একটি এবং এস এস পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ থাকাকে দায়ী করা হচ্ছে।


লোড শেড করে ঘাটতি সামাল দিতে গিয়ে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে মফস্বল আর গ্রামীণ জনপদ। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহের চিত্রও পাওয়া যাচ্ছে।


এ অবস্থায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। আর বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সন্ধ্যা ৭টায় দোকানপাট বন্ধের ঘোষণায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।


বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে লোডশেডিংয়ের ভয়াবহতা কমার আশা দেখছেন।


তবে তার ভাষ্য, “পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও লোডশেডিং শেষ হবে না। তখনও প্রায় ১২০০ মেগাওয়াটের মত লোডশেডিং থাকতে পারে, তবে সেটা এখনকার তুলনায় অনেক কম।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও