You have reached your daily news limit

Please log in to continue


গ্রামে লোডশেডিং বেশি, গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন

গরমের এই সময়ে দেশে বিশেষ করে মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাত্রা অনেক বেড়ে গেছে। গ্যাস, কয়লা ও ফার্নেস অয়েলের তীব্র ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরকার এখন অফ-পিক সময়ের সাধারণ চাহিদাও পূরণ করতে পারছে না।

গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও প্রতিদিন পিক-আওয়ারে (বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়) ঘাটতি দেড় হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এই ঘাটতির কারণে কিছু এলাকায় গড়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে, তবে বিতরণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনু্যায়ী, গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের স্থায়িত্ব অনেক বেশি।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন গ্রাহকরা জানিয়েছেন, তাদের প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লোডশেডিং সহ্য করতে হচ্ছে

গতকাল দুপুর ১২টায় দিনের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ১৪ হাজার ৬৯ মেগাওয়াট; ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় এক হাজার ৪৬২ মেগাওয়াটে।

গতকাল প্রায় প্রতি ঘণ্টায় এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি ছিল, যা রাত ৯টায় সর্বোচ্চ এক হাজার ৮৪০ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পূর্বাভাস অনুযায়ী, গতকাল মধ্যরাতে ঘাটতির পরিমাণ দুই হাজার ৯৩২ মেগাওয়াট রাখার কথা ছিল, যা থেকে বোঝা যায় রাতের বেলাতেও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ মিলছে না।

এই সপ্তাহে গড় ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬৭ মেগাওয়াট, যা গত সপ্তাহের ৩৪৩ মেগাওয়াট এবং এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের ৩৫৮ মেগাওয়াটের তুলনায় অনেক বেশি।

তথ্যানুযায়ী, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর এবং কুমিল্লার গ্রামাঞ্চলগুলো সবচেয়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের শিকার হয়েছে; এসব অঞ্চলে বিদ্যুতের ঘাটতি ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের ১৪৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ৭১টি হয় অচল হয়ে আছে, নয়তো সক্ষমতার চেয়ে অনেক কম উৎপাদন করছে। অকেজো বা ধুঁকতে থাকা এই কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৪৫টি ফার্নেস অয়েলচালিত, ২৩টি গ্যাসচালিত এবং তিনটি কয়লাভিত্তিক।

পিডিবির একটি অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে, গ্রীষ্মের পিক-আওয়ারে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট প্রাক্কলিত চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালানোর জন্য প্রতিদিন অন্তত এক হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাসের প্রয়োজন। কয়লা ও ফার্নেস অয়েলচালিত কেন্দ্রগুলো থেকে যদি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, তবেই পিডিবির গ্যাসের চাহিদা এই পর্যায়ে থাকবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন