You have reached your daily news limit

Please log in to continue


হকার উচ্ছেদের পর গতি পেল গুলিস্তান

দুপুরের গুলিস্তানকে একটু অচেনাই লাগছিল। কয়েক দিন আগেও যেখানে সারি সারি অবৈধ দোকানের জন্য ফুটপাত বা রাস্তার ধার দিয়ে স্বস্তিতে হাঁটার উপায় ছিল না, সেই জায়গা সোমবার দেখা গেল একদম ফাঁকা। রাস্তায় মানুষ হেঁটে যাচ্ছে স্বস্তিতে, পথ চলতে দোকানের জন্য থমকে যেতে হচ্ছে না। সড়কেও যানবাহন চলাচলে তুলনামূলকভাবে শৃঙ্খলা দেখা গেল। বোঝা গেল, সড়কের দখল দূর হওয়ায় গাড়িগুলো আরও বেশি জায়গা পাচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের যৌথ অভিযানের পর রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম এলাকাটির চিত্রে এসেছে এই পরিবর্তন। ফুটপাত ও সড়কের অংশ হকারদের দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজধানীর বিভিন্ন অংশে হকারদের অস্থায়ী দোকান ছাড়াও ফুটপাত ও সড়ক দখল করে থাকা বড় রেস্টুরেন্টের চুলা, বিভিন্ন স্থায়ী দোকানের পণ্য বা সরঞ্জামসহ অনেক কিছু সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু এলাকায় আবার হকার বসার খবর পাওয়া গেলেও অন্তত সোমবার দুপুর পর্যন্ত গুলিস্তান এলাকার অবস্থা স্বস্তিকরই মনে হয়েছে।

এপ্রিলের শুরু থেকেই গুলিস্তান এলাকায় শুরু হয় অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান। ১-৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা চলে উচ্ছেদ কার্যক্রম। এরপর ৮ ও ৯ এপ্রিল আবার গুলিস্তান ও বায়তুল মোকাররম এলাকায় বড় পরিসরে অভিযান চালানো হয়। ৯ এপ্রিল গুলিস্তান আন্ডারপাস এলাকার ফুটপাতে বুলডোজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এসব অভিযানে জিপিও লিংক রোড, গোলাপ শাহ মাজার এলাকা এবং বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখলমুক্ত করা হয়।

নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার যানজটের অন্যতম বড় কারণ ফুটপাত দখল। ফুটপাত যখন হকার বা পাশের বৈধ দোকানমালিকদের দখলে থাকে, তখন পথচারীরা বাধ্য হয়েই সড়কে নামে। এতে রাস্তায় যান চলাচল ধীর হয়ে যায়, সৃষ্টি হয় যানজট। গুলিস্তানের ফুটপাত এখন ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় পথচারী লোকজন ফুটপাতেই ফিরছে। ফলে সড়কে যানবাহনের গতি কিছুটা বেড়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন