নবজাতকের সুস্থ বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন মা-বাবা যা করবেন
প্রাথমিক যত্ন
তাপমাত্রা: জন্মের পর নবজাতকের তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে হবে। পোশাক ও বিছানা যতটা সম্ভব কম রাখতে হবে।
পরীক্ষা: শ্বাসকষ্ট, ফ্যাকাশে ও অস্বাভাবিক লালভাব, সায়ানোসিস, জন্ডিস, কাঁপুনি, পেশির দুর্বলতা ও জন্মগত ত্রুটি পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
ওজন: ওজন স্বাভাবিক, কম বা বেশি হিসেবে ভাগ করতে হবে। গর্ভকাল অনুযায়ী ওজনের চার্টে এটি অঙ্কন করে রাখতে হবে।
পরবর্তী সময়কালে যত্ন
নিয়মিত ওজন মাপা: প্রতিদিন শিশুর ওজন মাপতে হবে। ভর্তি হওয়ার সময় দৈর্ঘ্য ও মাথার পরিধি মাপতে হবে। অন্তত প্রতি ৮ ঘণ্টায় শিশুর মলমূত্র ত্যাগের সময় ও পরিমাণ লিপিবদ্ধ করতে হবে। প্রতি ৪ ঘণ্টায় শিশুর নাড়ির স্পন্দন, শ্বাসপ্রশ্বাস ও তাপমাত্রা লিপিবদ্ধ করতে হবে।
খাদ্য গ্রহণ: নবজাতককে শুধু স্তন্যপান করানো যাবে। জন্মের আধা ঘণ্টা ও ৬ ঘণ্টার মধ্যে মাকে শিশুকে স্তন্যপান করাতে সাহায্য করতে হবে।
স্তন্য গ্রহণের ধরন: মাকে শিশুর সঠিক অবস্থান ও স্তন্য গ্রহণের ধরন শেখাতে হবে। মা-শিশুকে একই কক্ষে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।