You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা আটকে আছে যেখানে

ইসলামাবাদে প্রথম বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা রয়েছে অনিশ্চয়তায়। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের একের পর এক অপরিপক্ব ও অগোছালো বক্তব্য এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

এর ধারাবাহিকতায় ইরান আবারও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি দেশটি তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ঘটনার মোড় পরিবর্তনের সূত্রপাত গত শুক্রবার, যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার খোলার ঠিক পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির একটি এক্স পোস্ট থেকে।

সেখানে আব্বাস আরাগচি লিখেছিলেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ায় এখন থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে। ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থার ঠিক করে দেওয়া পথ দিয়ে এই জাহাজগুলো যাতায়াত করতে পারবে। লেবাননে যুদ্ধবিরতি যত দিন থাকবে, এই সুযোগও তত দিন থাকবে।

আরাগচির এই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১২ ডলার কমে যায়। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় পাকিস্তানও। শান্তি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেশটির কর্মকর্তারা তখন তেহরানেই ছিলেন।

তবে আরাগচির পোস্টটি হয়তো অস্পষ্ট ও অসম্পূর্ণ ছিল, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। তেলের দাম হুট করে পড়ে যাওয়ায় এর প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এ খবরকে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব সিদ্ধান্তের জন্য তেহরানকে তিনি ধন্যবাদও জানান।

ইরানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবিও করেছেন, বাজার প্রভাবিত করতেই আরাগচি ওই পোস্ট দিয়েছিলেন।

ইরানি আইনপ্রণেতা মোর্তজা মাহমুদি বলেছেন, এখন যুদ্ধের পরিস্থিতি না থাকলে এক্সে এমন মন্তব্য করার জন্য আরাগচির অভিশংসন হওয়া উচিত ছিল। আরাগচির বিরুদ্ধে বারবার ‘ভুল সময়ে ভুল বক্তব্য’ দেওয়ার অভিযোগও আনেন তিনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন