‘গত এক মাসে আমি মাত্র দুবার ফুয়েল (জ্বালানি) নিতে পেরেছি। সেটাও আবার কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর পর। ছেলেরা রাত ২টা-৩টার সময় গিয়েও লাইনে দাঁড়াতে পারে। মেয়েদের পক্ষে তো সেটা সম্ভব হয় না।’—বলছিলেন নারী বাইকার ফাহমিদা রশিদ মেঘলা।
একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত মেঘলা। নির্বিঘ্নে অফিসে যাতায়াতের জন্য ২০১৯ সালে মোটরবাইক কেনেন তিনি। গত সাত বছর এই বাইকই তাঁর পথসঙ্গী। তবে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে আজকাল প্রায়ই নিজের বাইক বাড়িতে রেখে অন্য পরিবহন খুঁজতে হচ্ছে তাঁকে। বাড়ছে খরচ আর ভোগান্তি, আছে নিরাপত্তা শঙ্কাও।
দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ, নিরাপত্তা শঙ্কা, সামাজিক অস্বস্তি—সব মিলিয়ে অনেক নারী বাইকারের জন্য স্কুটার বা মোটরসাইকেল চালানো এখন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। কেউ বাইক ব্যবহার সীমিত করছেন, আবার কেউ বাধ্য হয়ে বিকল্প পরিবহনে ঝুঁকছেন।
ফাহমিদা রশিদ মেঘলা বলেন, ‘রমজানের মধ্যে একবার তেল নিয়েছিলাম। সেদিন প্রায় চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। এরপর মার্চের ২৪ তারিখে আবার তেল নিয়েছি, সেদিনও তিন ঘণ্টার মতো অপেক্ষা করতে হয়েছে।’