চায়ে কেন দুধ মেশাল ব্রিটিশরা? জানুন অদ্ভুত সেই কারণ

যুগান্তর প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২০

সকালে এক কাপ গরম ধোঁয়া ওঠা চা ছাড়া বাঙালির দিনটা যেন জমেই না। আর আমাদের কাছে চা মানেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘন দুধ আর চিনিতে ভরা লিকলিকে ‘দুধ চা’। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, চায়ে দুধ ঢালল কে? কবে থেকে শুরু হলো এই রীতি? চায়ের ইতিহাসে দুধের এই অনুপ্রবেশ কি স্রেফ স্বাদের জন্য, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো রহস্য?


মজার বিষয় হলো, চায়ে দুধ মেশানোর এই বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় অভ্যাসের মূলে ছিল দামী চীনামাটির কাপ বাঁচানোর এক কৌশল এবং ব্রিটিশদের একটি সুনিপুণ বাণিজ্যিক ফন্দি।


চায়ের আদি নিবাস ও লিকার চা যুগের ইতিবৃত্ত


চায়ের আদি নিবাস চীন। সেখানে হাজার বছর ধরে চা পান করা হতো একদম সাদামাটাভাবে—গরম পানিতে ভেজানো সতেজ পাতা। এটি ছিল মূলত একটি ঔষধি পানীয়। পরে জাপান ও চীনে চা হয়ে ওঠে এক মার্জিত আভিজাত্যের প্রতীক। যেখানে চিনি বা দুধ মেশানোর কথা কেউ কল্পনাও করত না। অর্থাৎ চায়ের দীর্ঘ ইতিহাসে ‘চা’ ছিল কেবল পাতা আর গরম পানির এক নির্মল রসায়ন।


মঞ্চে দুধের প্রবেশ: চীনামাটির কাপ বাঁচানোর লড়াই!


১৭শ শতকে চা ইউরোপে পৌঁছালে এটি দ্রুত ব্রিটিশ আভিজাত্যের অংশ হয়ে ওঠে। ১৮শ শতকের দিকে ব্রিটিশরা উন্নতমানের ‘বোন চায়না’ (Bone China) বা চীনামাটির পাত্রে চা পান শুরু করে। কিন্তু তৎকালীন সাধারণ মানের কাপগুলো ফুটন্ত গরম চায়ের তাপ সহ্য করতে পারত না, প্রায়ই ফেটে যেত।


এই সমস্যা সমাধানে তারা বুদ্ধি করে কাপে আগে কিছুটা ঠাণ্ডা দুধ ঢেলে নিত, তার ওপর ঢালত গরম চা। এতে চায়ের তাপমাত্রা কমে কাপটি নিরাপদ থাকত। এছাড়া চায়ের কড়া তিক্ততা কমানোও ছিল এর একটি বাড়তি সুবিধা। ধনী পরিবারগুলো বেশি চা ও সামান্য দুধ খেত, আর নিম্নবিত্তরা চায়ের খরচ বাঁচাতে কাপের বড় অংশ দুধে পূর্ণ করে সামান্য লিকার মেশাত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও