মার্কিন ঘাঁটির নিরাপত্তা চাদর ফালাফালা, বাদশাহ-আমিরদের কী হবে

প্রথম আলো সারফুদ্দিন আহমেদ প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে পারুক আর না পারুক, এর মধ্যেই যে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গেছে, তা হলো, উপসাগরীয় এলাকায় আর আগের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ‘দাদাগিরি’ থাকছে না।


ইরানি হামলার পরপরই মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভাসা-ভাসাভাবে ধারণা মিলছিল। এখন নিউইয়র্ক টাইমস আসল ছবি দেখিয়ে দিয়েছে।


এক প্রতিবেদনে তারা বলেছে, ইরানের হামলায় কমপক্ষে ১৭টি মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা সাংঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে তাদের অনেক সেনা মারা পড়েছেন। হামলার শিকার হয়েছে একাধিক মার্কিন দূতাবাস।


মার্কিন নিরাপত্তাকে ‘মৌনতার সুতোয় বোনা একটি রঙিন চাদর’ এবং ‘সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া...আছে ভালোবাসা-আদর’ ভেবে আরবের বাদশাহরা এত দিন নিশ্চিন্ত আলস্যবিলাসী ঘুম দিচ্ছিলেন।


ইরানি মিসাইলের আওয়াজে ঘুম ভাঙার পর এখন তাঁরা দেখছেন, সেই চাদর ছিঁড়েফুঁড়ে ফালাফালা হয়ে গেছে।


ইসলামাবাদের সালিসি টেবিলে যুদ্ধবিরতির জন্য ইরান যে ১০টি শর্ত রেখেছিল, তার মধ্যে একটি হলো পুরো মধ্যপ্রাচ্য থেকে সব মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া।


ইরানের দাবি, সেখানে কোনো মার্কিন ঘাঁটি রাখা যাবে না। অর্থাৎ ঘটিবাটি ফেলে আফগানিস্তানের বাগরাম ঘাঁটি ছেড়ে মার্কিন সেনারা যেভাবে চলে গিয়েছিল, সেভাবে উপসাগরীয় এলাকা থেকে তাদের ভাগতে হবে।


ইরানের হামলায় ঘাঁটিগুলোর করুণ দশা দেখে আরব দেশগুলোও বুঝে ফেলেছে, তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার মুরোদ যুক্তরাষ্ট্রের আর আগের মতো নেই।


প্রশ্ন হলো, আরবের বাদশাহরা কেন তাঁদের দেশের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্রকে এত ঘাঁটি বানানোর অনুমতি দিয়েছিলেন? এসব ঘাঁটি কার নিরাপত্তার জন্য বানানো হয়েছিল? এগুলো কি আসলে বাদশাহ-আমিরদের গদির, নাকি আরবের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য বানানো হয়েছে? নাকি এগুলোর কাজ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের নিরাপত্তা দেওয়া? নাকি এর পেছনে আরও কারণ আছে?


ধান ভানতে শিবের গীতের মতো শোনালেও এসব প্রশ্নের জবাব খোঁজার এবং পরিষ্কারভাবে গোটা ছবিকে মাথার মধ্যে নেওয়ার জন্য আমাদের ফিরে যেতে হবে আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর পেছনে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও