‘গেম অব চিকেন’: বিপজ্জনক মোড় নিচ্ছে ইরান যুদ্ধ?

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনেতিক ‘গেম অব চিকেন’ এ ইরান এগিয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এ সপ্তাহে হরমুজ প্রণালিতে যে ‘অস্বাভাবিক’ নৌ অবরোধ শুরু করেছেন, তাতে যুক্তরাষ্ট্র যে পিছু হটবে সে ইঙ্গিত এখনো মিলছে না।


সিএনএন লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের তাৎপর্যপূর্ণ নতুন এই পদক্ষেপ শুধু অর্থনীতিতেই ঝুঁকি তৈরি করেনি, এর প্রভাব আরও বিস্তৃত।


এ অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র- দুই দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলায় চালায়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা রয়েছে, এমন কয়েকটি দেশে হামলা চালায়। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশে চালানো হামলার নিশানা ছিল বিমানবন্দর, দূতাবাস, জ্বালানি স্থাপনা, মার্কিন দূতাবাস।


যুদ্ধে ইরান হারায় তার সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, আলি লারিজানির মতো নেতাদের।


তবে বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে শক্ত নিয়ন্ত্রণ রজায় রেখেছে ইরান। এক মাসেরও বেশি সময় পরে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে সম্মত হলে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে আসে উভয় পক্ষ।


স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক করেও ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিরা চুক্তি করতে ব্যর্থ হন। হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থাও কাটেনি।


এর পরেই ইরানের বন্দর অবরোধের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।


‘গেম অব চিকেন’ হল এমন এক পরিস্থিতি যেখানে দুই পক্ষ মুখোমুকি সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে যায় এবং কেউই আগে পিছু হটতে বা হার মানতে চায় না। যে পক্ষ আগে সরে যায়, সে ‘চিকেন’ বা কাপুরুষ হিসেবে গণ্য ও হারে।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অর্থনৈতিক ‘গেম অব চিকেন’ এর ব্যাখ্যায় বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি এক ধরনের ‘পারস্পরিক অর্থনৈতিক ক্ষতি’। ৩১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, তারা এই চাপ তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে সামাল দিতে পারবে।


কিন্তু অবরোধ কার্যকর রাখতে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি প্রয়োজন হবে, যা মার্কিন সেনাদের সরাসরি ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মূলত আকাশপথে হামলা চালিয়ে এই ঝুঁকি অনেকটাই এড়িয়ে গেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও