নারীদের একা ভ্রমণের জন্য নিরাপদ পাঁচ দেশ
বর্তমান বিশ্বের পর্যটন খাতে বড় পরিবর্তনটি এনেছেন নারীরা। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, এককভাবে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নারীরা এখন এগিয়ে আছে। বিশেষ করে ৫০ বছর বয়সের বেশি নারীরা কোনো সঙ্গীর অপেক্ষা না করেই বেরিয়ে পড়ছেন অজানার সন্ধানে। গত পাঁচ বছরে ইন্টারনেটে ‘নারীদের একা ভ্রমণ’ লিখে সার্চ করার হার বিশ্বজুড়ে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। আগ্রহ বাড়লেও নিরাপত্তার বিষয়টি এখনো নারী ভ্রমণকারীদের জন্য প্রধান চিন্তার কারণ। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরিচালিত একটি জরিপ বলছে, প্রায় ৫৯ শতাংশ নারী রাতে একা হাঁটার বিষয়টি নিয়ে বেশি শঙ্কিত থাকেন। তবে এই শঙ্কা কাটিয়ে ওঠার জন্য এখন পর্যাপ্ত তথ্য ও সূচক রয়েছে। ‘জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি ইনডেক্স’ এবং ‘গ্লোবাল পিস ইনডেক্স’-এর সাম্প্রতিক তথ্যের ভিত্তিতে এ বছরের সবচেয়ে নিরাপদ পাঁচটি দেশের তালিকা পাওয়া গেছে। এই তালিকার পাঁচটি দেশের তথ্য রইল এখানে।
কোস্টারিকা: মধ্য আমেরিকার এই দেশ সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সুখী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ডব্লিউপিএস সূচকে দেশটি ৬০তম থেকে ৩৪তম স্থানে উঠে এসেছে। কোস্টারিকার শান্ত তেরেসার মতো উপকূলীয় শহরগুলো নারী ভ্রমণকারীদের জন্য একা ঘুরে বেড়ানোর দারুণ জায়গা। এখানে সার্ফিং বা যোগব্যায়ামের ক্লাসে খুব সহজেই স্থানীয় এবং অন্য পর্যটকদের সঙ্গে মেলামেশা করা যায়।
এস্তোনিয়া: ইউরোপের এই দেশ নারীর নিরাপত্তা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিস্ময়কর উন্নতি করেছে। বর্তমানে এটি ডব্লিউপিএস সূচকে ১১তম স্থানে রয়েছে। রাজধানী তালিনের প্রাচীন স্থাপনা এবং তাবাসালু ন্যাশনাল পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেয়। এখানকার লো ক্রাইম রেট বা অপরাধের নিম্ন হার নারীদের একক ভ্রমণে স্বস্তি দেয়।