ডিপ স্টেট, কিচেন কেবিনেট ও ‘ফেরেশতাদের’ শাসনামল

বিডি নিউজ ২৪ আমীন আল রশীদ প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৭

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ অবসানের পরে এই সরকারের একাধিক উপদেষ্টার বক্তব্য শুনে একটি প্রবাদ মনে পড়ছে। সেটি হলো—চেয়ারে বসার আগে এবং পরে সবাই ফেরেশতা। অর্থাৎ যতক্ষণ না কাউকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার আসল চেহারাটা দেখা যায় না। আবার দায়িত্বে থাকাকালীন তাদের যে চেহারাটা মানুষ দেখেছে, দায়িত্ব বা চেয়ার ছাড়ার পরে সেই মানুষগুলো আবারও যেন ফেরেশতায় পরিণত হন। অর্থাৎ দায়িত্বে যাওয়া এবং ছাড়ার মধ্যবর্তী সময়ের মানুষটাই যে আসল, সেটিই হচ্ছে বাস্তবতা। যে কারণে জীবনের একটি বড় সময় পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যাদেরকে দলনিরপেক্ষ, দেশপ্রেমিক ও মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার হিসেবে দেখে একটা সম্মানের জায়গায় বসিয়েছে, দায়িত্বপূর্ণ চেয়ারে বসার পরে সেই মানুষগুলোরই এক ভিন্ন রূপ যেন উন্মোচিত হয়ে যায়। চেয়ারে বসার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মুখোশটা খুলে গিয়ে মুখটা বেরিয়ে পড়ে।


সারা জীবন প্রশাসনসহ রাষ্ট্রীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ নানাবিধ অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অনেকে অবসরের পরে সুশীল হয়ে ওঠেন। তারা পত্রিকার কলামনিস্ট হয়ে এবং টেলিভিশনের টকশোতে আলোচক হিসেবে জাতির বিবেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। আমলাতন্ত্রের কড়া সমালোচনা করেন; অথচ তিনি নিজেও একসময় বিরাট আমলা ছিলেন। কিন্তু সেই আমলাতন্ত্র ঠিক করার জন্য দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজে কী ভূমিকা পালন করেছেন, অনিয়ম-দুর্নীতি ও ঘুষ প্রতিরোধে কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সেই উদ্যোগ নিলে তার ফলাফল কী হয়েছিল—এমন প্রশ্ন করলে খুব সন্তোষজনক জবাব আসবে না। কিন্তু অবসর গ্রহণের পরেই তারা বিরাট সুশীল, জাতির বিবেক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও