বিদ্যুৎ পরিস্থিতি: লোডশেডিং ভোগাবে আরও এক সপ্তাহ
গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এটা ধরে নিয়ে চাহিদা পূরণের পরিকল্পনা করেছিল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে ১৫ হাজার মেগাওয়াটের সক্ষমতাও স্পর্শ করতে পারছে না বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। মাঝারি গরমের মধ্যেই এখন বিদ্যুতের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে ১ হাজার মেগাওয়াট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এপ্রিলের শুরু থেকেই গ্রাম কিংবা শহরে বারবার লোডশেডিং শুরু হয়েছে। শহরে ভোগান্তির চিত্র তুলনামূলক কম হলেও গ্রামে দিনে অন্তত দু-তিনবার বিদ্যুতের আসা-যাওয়া নিত্য ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
এপ্রিলের প্রথম দিনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ২১৮ মেগাওয়াট। সেদিন তেমন লোডশেডিং ছিল না। পরদিন বৃহস্পতিবার চাহিদা পৌঁছায় ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াটে। সেদিন ঘণ্টায় ৩৭৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং শুরু হয়। রাতের দিকে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিংও বাড়তে থাকে। গত শনিবার মধ্যরাতে দেশে ১ হাজার ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দেয়, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। রাত ১২টায় ১৫ হাজার ১০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৩ হাজার ৯৬৯ মেগাওয়াট।
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- লোডশেডিং
- জ্বালানি সংকট