‘বাবাকে একনজর দেখতে পেরেছি, এটিই সান্ত্বনা’

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:১২

বাসার আঙিনায় অ্যাম্বুলেন্স। ভেতরে কফিনে সাদা কাফনে মোড়ানো লাশ। দূর থেকে স্বজনেরা তাকিয়ে আছেন অ্যাম্বুলেন্সের দিকে। জানাজা ও দাফনের আগে ক্ষণিকের জন্য কাফনে মোড়ানো লাশের চেহারা দেখার সুযোগ পান স্ত্রী, একমাত্র মেয়ে ও কয়েকজন স্বজন।


মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি এস এম তারেকের লাশ ঘিরে আজ শনিবার সকালে এই চিত্র দেখা যায় চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর ঈদগাহ বউবাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায়। গত ১ মার্চ রাতে বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাসিন্দা এস এম তারেক। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর লাশ বাংলাদেশে এসে পৌঁছে।


গতকাল দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কফিনবন্দী লাশটি নেওয়া হয় চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের ওই ভাড়া বাসায়। সেখানে তারেকের পরিবার বসবাস করে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জানাজা শেষে লাশটি হালিশহরের ঈদগাহ বউবাজার এলাকায় দাফন করা হয়।


তারেক নিহত হওয়ার এক মাস পর তাঁর চেহারা একনজরের জন্য দেখতে পেয়েছে তাঁর একমাত্র মেয়ে তাসনিম তামান্না। কিশোরী তামান্না নির্বাক হয়ে শুধু বাবার লাশ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সের দিকে তাকিয়ে ছিল। কিছু বলার মতো অবস্থা তার ছিল না। সে প্রথম আলোকে বলে, ‘বাবাকে একনজর দেখতে পেরেছি, এটিই সান্ত্বনা।’


এস এম তারেক ২০০৯ সালে বাহরাইনে যান। বাহরাইনের রাজধানী মানামার আরসি ড্রাইডক নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তিনি। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হালিশহরের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, পাঁচতলা একটি ভবনের তৃতীয় তলায় থাকেন তারেকের স্ত্রী ও মেয়ে। ভবনের আঙিনায় তারেকের কফিন বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে। পাশে রয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। তাঁরা তাকিয়ে আছেন অ্যাম্বুলেন্সের দিকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও