রাউটার কেনার আগে ৩ বিষয় মাথায় রাখা জরুরি

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:০৮

বর্তমান সময়ে একটি পরিবারের মধ্যে একাধিক স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, স্মার্ট টিভি, ট্যাব কিংবা অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, বাড়ির এক প্রান্তে ইন্টারনেটের গতি ভালো থাকলেও অন্য প্রান্তে সিগন্যাল খুব দুর্বল হয়ে যায় কিংবা একেবারেই পাওয়া যায় না। এই সমস্যার মূল কারণ সাধারণত সঠিক রাউটার না বেছে নেওয়া। তাই নতুন রাউটার কেনার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করলে পুরো বাড়িতেই স্থিতিশীল ও দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহার করা সম্ভব।


১. কভারেজ বা সিগন্যাল পৌঁছানোর ক্ষমতা


রাউটার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখতে হবে সেটি কত বড় জায়গায় সিগন্যাল দিতে পারে। ছোট বাসা হলে সাধারণ রাউটারেই কাজ চলে যায়, কিন্তু বড় বাসা বা একাধিক তলা থাকলে শক্তিশালী রাউটার প্রয়োজন হয়। যেমন-৮০০ থেকে ১২০০ স্কয়ার ফিটের বাসার জন্য মাঝারি কভারেজের রাউটারই যথেষ্ট। তবে ১৫০০ থেকে ৩০০০ স্কয়ার ফিট বা দুই-তিন তলা বাড়িতে সাধারণ রাউটার ব্যবহার করলে অনেক জায়গায় ‘ডেড জোন’ তৈরি হতে পারে।


২. ব্যান্ড প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের গতি


রাউটারের ব্যান্ড প্রযুক্তিও ইন্টারনেটের গতি নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। পুরোনো ধরনের রাউটার সাধারণত শুধু ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে কাজ করে। এই ব্যান্ডের সিগন্যাল দূর পর্যন্ত পৌঁছালেও গতি তুলনামূলক কম হয় এবং বেশি ডিভাইস যুক্ত হলে নেট ধীর হয়ে যায়। এ কারণে এখন ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার বেশি জনপ্রিয়। এতে ২.৪ গিগাহার্টজের পাশাপাশি ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড থাকে। ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে ইন্টারনেটের গতি বেশি পাওয়া যায়, যদিও সিগন্যাল খুব বেশি দূর যায় না।


৩. বাজেট ও ব্যবহার অনুযায়ী নির্বাচন


রাউটার কেনার সময় নিজের প্রয়োজনের পাশাপাশি বাজেটও গুরুত্বপূর্ণ। ছোট বা মাঝারি বাসার জন্য তুলনামূলক কম দামের ডুয়াল ব্যান্ড রাউটারই যথেষ্ট হতে পারে। কিন্তু বড় বাসা বা উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে উন্নত মানের রাউটার বা মেশ সিস্টেমে বিনিয়োগ করা ভালো।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও