You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমানোর ৯টি ঘরোয়া উপায়

খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাপনে পরিবর্তনের সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (LDL) কমানো সম্ভব। উচ্চ LDL মাত্রা হৃদরোগের একটি প্রধান ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ LDL ধমনীর দেয়ালে জমা হয়ে প্লাক তৈরি করতে পারে। যদিও কারও কারও জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে, তবে অনেকেই টেকসই ও হৃদ-স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে LDL কোলেস্টেরল কমাতে পারেন।

LDL কী এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

LDL-কে সাধারণত ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এর উচ্চ মাত্রা অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসে ভূমিকা রাখতে পারে, যা হলো ধমনীতে প্লাক জমা হওয়া। মেয়ো ক্লিনিকের মতে, ধীরে ধীরে এটি হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। জেনে নিন প্রাকৃতিকভাবে এলডিএল কমানোর প্রমাণিত উপায়-

১. দ্রবণীয় ফাইবার গ্রহণ বাড়ান

দ্রবণীয় আঁশ পরিপাকতন্ত্রে কোলেস্টেরলের সঙ্গে আবদ্ধ হয় এবং রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করার আগেই তা অপসারণ করতে সাহায্য করে। এই প্রক্রিয়াটি সময়ের ধীরে ধীরে এলডিএল-এর মাত্রা কমাতে কাজ করে। ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, যা পরবর্তীতে লিপিড মেটাবলিজমকে প্রভাবিত করে। যেমন ওটস, বার্লি, শিম এবং মসুর ডাল, আপেল এবং লেবু জাতীয় ফল, ইসুবগুলের ভুসি ইত্যাদি।

২. স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বেছে নিন

এলডিএল কমানোর জন্য সবচেয়ে দৃঢ়ভাবে সমর্থিত ডায়েটিং কৌশলের মধ্যে একটি হলো স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ করা। এর কারণ হলো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট লিপিডের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে এবং সম্ভবত এইচডিএল (ভালো কোলেস্টেরল)-এর মাত্রা বৃদ্ধি করে, যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করার জন্য ভালো। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো, বাদাম (আখরোট, আমন্ড, পেস্তা), বীজ (চিয়া, ফ্ল্যাক্সসিড, সূর্যমুখীর বীজ), স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকেরেল ফিশ ইত্যাদি নিয়মিত খেতে হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন