You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ভদ্রতা ও উদারতার মধ্যে পার্থক্য বুঝছেন তো?

সচরাচর আমরা ভদ্রতার সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘দয়ালু’ বা ‘উদার’ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। সমাজ আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। অনেক নিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা মনে করি, কাউকে ‘ধন্যবাদ’ বলা বা কেউ বিপদ পড়লে তাকে ‘শুনে খুব খারাপ লাগল’ বলাটাই ভালো মানুষের লক্ষণ। কিন্তু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ভদ্রতা এবং উদারতার মধ্যে এক বিশাল ব্যবধান রয়েছে। এ পার্থক্যটি বুঝলে আমরা আমাদের সম্পর্কের গভীরতা এবং কঠিন সময়ে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর ধরনে আমূল পরিবর্তন আনতে পারি। ভদ্রতা সমাজকে সুশৃঙ্খল রাখে। কিন্তু জীবন বদলে দেয় উদারতা। ভদ্রতা নিয়ম মেনে চলে, আর উদারতা মানুষের অন্তরের ডাক শোনে।

ভদ্রতা ও উদারতার মূল তফাত

ভদ্রতা মূলত সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার একটি কৌশল। সমাজ স্বীকৃত নিয়মকানুন মেনে চলা, সংঘাত এড়িয়ে চলা এবং মুহূর্তটিকে স্বস্তিদায়ক রাখাই ভদ্রতার মূল লক্ষ্য। যখন আমরা ‘প্লিজ’ বলি বা কারও কথায় সায় দিই, তখন আমরা আসলে সামাজিক শিষ্টাচার পালন করি। এটি অনেকটা যন্ত্রে তেল দেওয়ার মতো। এ শিষ্টাচার সামাজিক মিথস্ক্রিয়া সচল রাখে। উদারতা বা দয়া মানে শিষ্টাচারের গণ্ডি ছাড়িয়ে অন্যের প্রকৃত প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। উদারতা কেবল মুহূর্তটিকে ভালো রাখার চেষ্টা করে না; বরং অন্যের প্রয়োজনে সক্রিয়ভাবে হাত বাড়িয়ে দেয়। ভদ্রতা যেখানে অস্বস্তি এড়িয়ে চলতে চায়, উদারতা সেখানে সত্য বলার জন্য বা প্রকৃত সাহায্যের জন্য প্রয়োজনে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিও সৃষ্টি করতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন