You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মাশরুমের ৭টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

মাশরুম এক প্রকার ছত্রাক, কিন্তু এটি এখন সবজি হিসেবেও দারুণ জনপ্রিয়। মাশরুম খুব বেশি চর্বি, ক্যালোরি বা সোডিয়াম যোগ না করেই খাবারে একটি সুস্বাদু স্বাদ নিয়ে আসে। কিন্তু এর স্বাস্থ্য উপকারিতা এখানেই শেষ নয়। গবেষকরা ক্রমাগত আবিষ্কার করছেন কীভাবে মাশরুম দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ করতে পারে এবং আপনার দৈনন্দিন স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

১৯৬৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ১৭টি ক্যান্সার গবেষণার একটি পর্যালোচনা দেখায় যে, প্রতিদিন মাত্র ১৮ গ্রাম মাশরুম (যা প্রায় ১/৮-কাপ বা দুটি মাঝারি আকারের মাশরুমের সমান) খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি ৪৫% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। মাশরুম হলো আরগোথিওনিনের একটি শক্তিশালী উৎস। এটি একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে বা এর গতি কমিয়ে দেয়। কিছু প্রজাতির মাশরুমে (যেমন শিটাকে, অয়েস্টার, মাইটাকে এবং কিং অয়েস্টার) আরগোথিওনিনের পরিমাণ বেশি থাকে। কিন্তু গবেষকরা দেখেছেন যে, দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় যেকোনো ধরনের মাশরুম অন্তর্ভুক্ত করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমবে।

২. সোডিয়াম গ্রহণ কমানো

সোডিয়াম এবং উচ্চ রক্তচাপ বেশিরভাগ সময় একসঙ্গে ঘটে। সোডিয়ামের কারণে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমা হয়, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। সোডিয়াম গ্রহণ কমাতে, খাবারে মাশরুম যোগ করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। মাশরুমে প্রাকৃতিকভাবেই সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। এক কাপ সাদা বাটন মাশরুমে মাত্র পাঁচ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে। এটি একটি সুস্বাদু স্বাদ প্রদান করে, যা রক্তচাপ কম রাখতে অতিরিক্ত লবণের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে।

৩. কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে

ক্যালোরি, চর্বি এবং কোলেস্টেরল কমিয়ে মাশরুম রেড মিটের একটি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বিশেষ করে শিটাকে মাশরুম কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে। এতে এমন যৌগ রয়েছে যা কোলেস্টেরল উৎপাদনকে বাধা দেয়, কোলেস্টেরল শোষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং রক্তে কোলেস্টেরলের সামগ্রিক পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন