You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিকল্প জ্বালানি উৎসে সাড়া অনেক, তবে বিলম্বের শঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিকল্প উৎস থেকে তেল–গ্যাস আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। শুরুতে সরবরাহকারী অনেক প্রতিষ্ঠানই আগ্রহ দেখালেও এখন পর্যন্ত নিশ্চিত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি মিলেছে খুব কম। একই ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি খাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রেও। ফলে আগামী দিনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা কাটছে না।

বাংলাদেশে তেল–গ্যাস আমদানিতে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা বেশি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে হরমুজ প্রণালি হয়ে আমদানি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই দুই খাতেই বিকল্প উৎস খোঁজার চেষ্টা শুরু হয়। তবে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অন্য দেশগুলোও একই চেষ্টা চালানোয় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। যদিও ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশের জাহাজ জ্বালানি নিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনায় একের পর এক হামলার কারণে কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে অপরিশোধিত তেলের ৮০ শতাংশ, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ৬৫ শতাংশ এবং এলপিজির ৫১ শতাংশ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। আবার পরিশোধিত ডিজেলের বড় অংশ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে এলেও সেসব দেশও মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভরশীল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার প্রভাব বিকল্প উৎসেও পড়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন