You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নীড়ে ফেরা পাখি

সারাটা দিনে হেথা হোথা চরে বেড়িয়ে পাখিরা যেমন সন্ধ্যাবেলা নিজ নীড়ে ফিরে যায়—মুখে তার কিছু খড়কুটো, না হয় কিছু আহার আপনজনের জন্য—ঠিক তেমনি এই ঈদে-বকরিদে আমরাও সারা বছর পর ছুটিতে গ্রামের বাড়ির দিকে আপনজনের কাছে যাই কত প্রকারের সব উপহার নিয়ে, তার হিসাব নেই। নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়ে যাই বটে, তবে তার অর্থমূল্য যত ক্ষুদ্রই হোক, আন্তরিকতার দাম কিন্তু অমূল্যই বটে।

আমাদের দুটি বৃহৎ উৎসব ঈদুল ফিতর আর কোরবানি ঈদ। এই দুই উৎসবের আনন্দ আমরা আপনজনের সঙ্গে উপভোগ করার জন্য ভীষণ আকুল থাকি। বিশেষ করে এই ঈদুল ফিতরে—যাকে আমরা বলি রোজা ভঙ্গের উৎসব। ছুটি যত বড়ই হোক, তাতে মন ভরে না কারোরই—আহা রে আরও দুদিন বেশি ছুটি হলে কী না মজা হতো, এই ভাবনা প্রায় সবার মধ্যেই দেখা যায়। তাই দেখি, ছুটি শেষেও ‘ওভার স্টে’ করি, কাজে–কর্মে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরতে লাগে যথেষ্ট সময়।

এই নীড়ে ফেরার জন্য যে যাত্রা, তার প্রধান বাহন তো বাস, ট্রেন, লঞ্চ—এ তিনটিই। দেখেন না, পড়ি কি মরি করে কোনো প্রকারে হাজার হাজার মানুষকে ঠেলেঠুলে নিজের জায়গা দখলের জন্য কী যুদ্ধটাই না করতে হয়। সময়ে টিকিট কেনা যাত্রীরা তো মোটামুটি নির্বিঘ্নে স্থান পেয়ে যান, কিন্তু দেরি করা মানুষগুলো বাহনের ছাদে, পাদানিতে, বাম্পারে—শুধু একটু যেতে পারলেই হয়। তাতেই তারা খুশি। এসবই কিন্তু ওই যে বললাম, নীড়ে ফেরা পাখির আনন্দে—আপন কুলায় পৌঁছানোটাই প্রধান লক্ষ্য—যেখানে অপেক্ষায় রয়েছে কারও পিতা–মাতা, কারও ভাই–বোন, কারো বা স্ত্রী-সন্তান, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, কারও ভালোবাসার মানুষ।

আমারও ভীষণ ইচ্ছে করে ঈদে–বকরি ঈদে দেশে যেতে—কিন্তু সেই পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ইজান গ্রামে যাওয়া হয়ে ওঠে না কখনো—আত্মীয়স্বজন এখনো অনেকেই রয়েছেন সেখানে। যাওয়ার অনুরোধও আসে; কিন্তু হয় না নানান কারণে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন