You have reached your daily news limit

Please log in to continue


রাতে ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমাচ্ছেন? এজন্য হয়ত কমছে ব্যাটারির আয়ু

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোন চার্জে লাগিয়ে দেন, সকালে উঠে দেখেন চার্জ শতভাগ। দিন গড়াতেই দেখা গেল ব্যাটারির চার্জ কমেছে। তাই অফিসে বা বাসায় গিয়ে আবার পূর্ণ চার্জ করে নেন।

অভ্যাসটি আপাতদৃষ্টিতে খুবই সাধারণ। তবে এটিই নীরবে ফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে।

ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজার মোবাইল মেরামত ও বিক্রির প্রতিষ্ঠান সাইম প্লাসের স্বত্বাধিকারী মো. কামাল হোসেন বলেন, “প্রতিদিন আমরা এমন অনেক গ্রাহক দেখি, যারা ফোন একশ পার্সেন্ট চার্জ করে রাখেন। ফলে দুয়েক বছরের মধ্যেই ব্যাটারি দুর্বল হয়ে যায়, চার্জ ধরে কম, ফোন গরম হয়। এই অভ্যাস বন্ধ করলেই ব্যাটারির আয়ু অনেক বাড়ে।”

চার্জ সাইকেল যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

একটি ‘চার্জ সাইকেল’ মানে ব্যাটারির পুরো চার্জ (১০০ ভাগ) খরচ করে আবার চার্জ করা।

কামাল হোসেন বলেন, “ধরা যাক, আজ ৫০ ভাগ চার্জ ব্যবহার করলেন, তারপর আবার একশ ভাগ চার্জ করলেন। পরদিন আবার পঞ্চাশ ভাগ ব্যবহার করে চার্জ করলেন— এভাবে দুই দিনে একটি পূর্ণ সাইকেল সম্পন্ন হল।”

তিনি আরও বলেন, “লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির সাইকেল সীমিত— সাধারণত ৩০০ থেকে ৫০০ সাইকেল পর্যন্ত ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যায়। তারপর ক্যাপাসিটি কমতে থাকে। শতভাগ চার্জ করলে সাইকেল দ্রুত শেষ হয় না বটে, তবে তাপের কারণে ব্যাটারির কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে আয়ু কমে যায়।”

শতভাগ চার্জ করা যে কারণে ক্ষতিকর

স্মার্টফোনে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। এই ব্যাটারির সবচেয়ে বড় শত্রু হল তাপ।

ফোন যখন একশতভাগ চার্জে পৌঁছে যায়, তখনও চার্জার থেকে সামান্য বিদ্যুৎ প্রবাহ চলতে থাকে। এতে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়। ফোনের ভেতরে ‘বিল্ট-ইন সেফটি ফিচার’ থাকলেও দীর্ঘ সময় একশত ভাগ চার্জে রাখলে ব্যাটারির রাসায়নিক বিক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির গঠনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এই অতিরিক্ত চাপে ব্যাটারি দ্রুত ক্ষয়ে যায়। ফলে ব্যাটারির ক্যাপাসিটি কমে যায়, চার্জ ধরার ক্ষমতা হ্রাস পায়- ব্যাখ্যা করেন কামাল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন