You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের আভাস

বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি, শীর্ষ নেতাদের সরকারি দায়িত্বে ব্যস্ততা এবং তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্বের স্থবিরতার কারণে দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আনার জোর প্রস্তুতি চলছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর থেকেই এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী ১১টি সংগঠনের মধ্যে ১০টিরই মেয়াদোত্তীর্ণ। দলীয় গঠনতন্ত্রে প্রতি তিন বছর পর নতুন কমিটি গঠনের বিধান থাকলেও দীর্ঘদিন তা বাস্তবায়ন হয়নি। এতে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতৃত্বের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের মধ্যেও বাড়ছে হতাশা।

একই পরিস্থিতি মূল দল বিএনপিতেও। সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের মার্চে। নিয়ম অনুযায়ী তিন বছর পরপর কাউন্সিল হওয়ার কথা থাকলেও এক দশকেও তা হয়নি। তবে এই সময়ে নির্বাহী কমিটিতে একাধিকবার পরিবর্তন আনা হয়েছে। যুক্ত হয়েছে নতুন মুখ। কেউ পদোন্নতি পেয়েছেন, আবার কেউ দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার পরিচালনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি। সংসদ ও মন্ত্রিসভার দায়িত্বে যুক্ত হয়েছেন দলের মূল ও অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতা। ফলে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাদের সময় ও মনোযোগ কমে গেছে। এর ফলে সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা থমকে গেছে। অবশ্য বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী অধিকাংশ সংগঠনের কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। কোথাও তিন বছর, কোথাও পাঁচ বছর, আবার কোথাও এক যুগ একই কমিটি বহাল রয়েছে। এতে সংগঠনের কার্যক্রমে কার্যত স্থবিরতা তৈরি হয়েছে এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরির পথও সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন