লাইলাতুল কদর : মহিমান্বিত রজনীর তাৎপর্য
ইসলামি বর্ষপঞ্জির ১২ মাসের ভিড়ে রমজানুল মোবারক আসে এক পশলা বৃষ্টির মতো, যা মুমিনের হৃদয়ের তপ্ত মরুভূমিকে শীতল করে দেয়। এ রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোর মধ্যে লুকিয়ে আছে এমন এক রজনী, যার মহিমা বর্ণনা করতে গিয়ে স্বয়ং মহান আল্লাহ একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন। ‘লাইলাতুল কদর’ বা ‘কদরের রাত’ মানবজাতির জন্য আসমানি রহমতের এক মহোৎসব। ‘কদর’ শব্দের বহুবিধ অর্থ রয়েছে-সম্মান, মাহাত্ম্য, তাকদির বা ভাগ্য নির্ধারণ। এ এক রাতেই নির্ধারিত হয় আগামী এক বছরের বিশ্বজাহানের কর্মপরিকল্পনা, আর এ এক রাতের ইবাদতেই অর্জিত হয় আজীবনের সঞ্চয়।
লাইলাতুল কদর হচ্ছে একটি অতি সম্মানিত ও মহত্ত্বপূর্ণ রাত। এ রাতে মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। তাফসিরে এসেছে, হজরত জিবরাইল (আ.) ফেরেশতাদের বিশাল এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং প্রতিটি মুমিনের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে রহমতের দোয়া করেন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, সূর্যাস্তের পরপরই মহান আল্লাহ তাঁর আরশ থেকে প্রথম আকাশে নেমে আসেন। তাঁর অসীম মায়া ও দয়া নিয়ে তিনি পৃথিবীবাসীকে পরম মমতায় ডাকতে থাকেন।
- ট্যাগ:
- মতামত
- লাইলাতুল কদর