স্ক্রিনের আড়ালে সহিংসতা, রাষ্ট্রের সামনে দায়
ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, সংযুক্ত করেছে বিশ্বকে। কিন্তু এই সংযোগের অদৃশ্য প্রান্তে তৈরি হয়েছে এক নতুন সহিংসতার ক্ষেত্র, যার নাম সাইবার বুলিং ও সাইবার সহিংসতা। ফোনের স্ক্রিন, সামাজিক মাধ্যমের টাইমলাইন কিংবা গেমিং প্ল্যাটফর্ম এখন অনেকের জন্য নিরাপদ নয়, বরং আতঙ্কের নাম। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য এই ভার্চুয়াল জগৎ দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সাইবার বুলিং বলতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাউকে বারবার ভয় দেখানো, অপমান করা, হুমকি দেওয়া বা লজ্জায় ফেলার উদ্দেশ্যে হয়রানিকে বোঝায়। এটি নিছক দুষ্টুমি নয়, এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, মিথ্যা গুজব ছড়ানো, ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা, ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে কারো পরিচয় নকল করা কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অনলাইন গ্রুপ থেকে বাদ দেওয়া—সবই এর অন্তর্ভুক্ত। জাতিসংঘের শিশু তহবিল UNICEF বলছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ও আপত্তিকর ছবি পোস্ট করা সাইবার বুলিংয়ের সাধারণ রূপ।