চাকরির প্রস্তুতির ধরন বদলে দিয়েছে ‘লাইভ এমসিকিউ’
একটা সময় ছিল যখন বিসিএস বা ব্যাংকের চাকরির প্রস্তুতির জন্য বড় শহরগুলোতে গিয়ে কোচিং করা ছিল অনিবার্য। কিন্তু যানজট, উচ্চ ফি আর সময়ের অপচয় অনেক মেধাবীর স্বপ্নকে শুরুতেই থামিয়ে দিত। সেই অভাববোধ থেকেই যাত্রা শুরু হয়েছিল লাইভ এমসিকিউর। গুগল প্লে থেকে ১০ লাখের বেশি ডাউনলোড হওয়া এই অ্যাপ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী একই সময়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান যাচাই করতে পারছেন।
প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী হাসান এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা জিকো কুমার পালের হাত ধরে ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু হয় অ্যাপটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্র্যাকটেকের। এখন প্রতিষ্ঠানটিতে ১৪০ জনের বেশি স্থায়ী কর্মী এবং প্রায় ২০০ জন ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন। কুমিল্লার প্রধান কার্যালয় থেকে পরিচালিত এই মাধ্যমটি এখন দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভার্চ্যুয়াল পরীক্ষা কেন্দ্র (এক্সাম সেন্টার) হিসেবে স্বীকৃত।
লাইভ এমসিকিউর বিশেষত্ব
লাইভ এমসিকিউর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর রিয়েল টাইম প্রতিযোগিতা। যখন একজন শিক্ষার্থী একটি মডেল টেস্ট দিচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে সারা দেশের আরও কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী একই প্রশ্নে পরীক্ষা দিচ্ছেন। পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক মেধাতালিকায় নিজের অবস্থান দেখে নেওয়া যায়। এর ফলে একজন পরীক্ষার্থী বুঝতে পারেন মূল প্রতিযোগিতায় তিনি কতটা এগিয়ে বা পিছিয়ে আছেন। শুধু প্রিলিমিনারি নয়, লিখিত পরীক্ষার ভয় দূর করতে রয়েছে লাইভ রিটেন। ঘরে বসেই লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র আপলোড করা এবং অভিজ্ঞদের মাধ্যমে তা মূল্যায়ন করানোর সুবিধা চাকরিপ্রার্থীদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ ছাড়াও লাইভ এমসিকিউর রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ, বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং চিকিৎসকদের উচ্চতর ডিগ্রির প্রস্তুতির জন্য মেডিকেল হায়ার স্টাডি।