You have reached your daily news limit

Please log in to continue


অবিরাম বোমাবর্ষণের মধ্যে কীভাবে চলছে জীবন, তেহরানবাসীর ডায়েরিতে

দিনটি ১২ মার্চ, বৃহস্পতিবার। তখন ভোররাত ৫টা, ভয়াল একটি দিন কাটানোর পর ঘুম সবে আসছিল। ঠিক তখনই বেজে উঠল ফোনটা। আতঙ্ক গ্রাস করল আমাকে। এ সময় তো কোনো ফোন আসার কথা নয়। নিশ্চয়ই কেউ সাহায্য চাইছে, অথবা হয়তো কেউ নিঃসঙ্গ ও ভয়ার্ত।

অবসাদ নিয়েই ফোনটি ধরলাম। আমার ছোট বোন। সে কাঁদছে এবং কান্নার দমকে কথাও বলতে পারছে না। আমার হৃদয় ভেঙে খানখান হয়ে গেল। ওকে অনেক দিন ধরে দেখিনি। আমি যখন জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিলাম, তখন সে অন্য শহরে। আমাদের মায়ের দেখাশোনা করার জন্য সেই শহরে চলে গিয়েছিল।

সে তার জন্মদিনে ফিরেও এসেছে। কিন্তু তারপরই শুরু হলো যুদ্ধ। আমরা তেহরানে দুটি ভিন্ন বাড়িতে রইলাম পড়ে, আলাদা হয়ে।

সে আমার থেকে অনেক ছোট, তবু আমার ছেলেকে সুরক্ষিত রাখার ভারটি সে নিয়েছিল, যাতে আমি কোথাও নিরাপদে থাকতে পারি এবং আবার গ্রেপ্তার এড়াতে পারি। আমি তাকে জানাই যে তার প্রতি আমি কতটা কৃতজ্ঞ। আমার মন এখন অশান্ত: আমি ধরেই নিই যে বাড়িতে ভয়ানক কিছু হয়েছে এবং সে তা বলতেও পারছে না।

আমি তাকে বলি যে এই মুহূর্তে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বেঁচে থাকা। এমনকি যদি বাড়িও না থাকে, তবু।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন