বাংলাদেশ ফার্স্ট : নতুন পররাষ্ট্রনীতির অঙ্গীকার

বাংলাদেশ আজ তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ভৌগোলিক স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন আবারও জাতিকে সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। দীর্ঘ সময়ের শাসনের অবসান এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাস্তবতার সূচনা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত হয়েছে একটি স্পষ্ট নীতি, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ অগ্রাধিকার’ পররাষ্ট্রনীতি, যার মূল লক্ষ্য জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতা, গণতান্ত্রিক জবাবদিহি এবং ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক নিশ্চিত করা।


এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি কোনো দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার নীতি নয়, বরং এটি বাংলাদেশের পক্ষে একটি আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন ও বাস্তববাদী কৌশল।


আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জগতে স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই, স্থায়ী থাকে কেবল জাতীয় স্বার্থ। তাই একটি স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশেরও উচিত তার পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত অবস্থান নির্ধারণ করা নিজস্ব স্বার্থ, সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সামনে রেখে। এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিশোধের রাজনীতি বা বিচ্ছিন্নতার নীতি নয়, বরং এটি এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি, যেখানে আত্মমর্যাদা, পারস্পরিক সম্মান এবং পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও