সংবিধান ও সংবিধান সংস্কার আদেশ : নতুন জটিলতা
আজকের লেখাটি সত্যিই আমার জন্য ডিফিকাল্ট। কারণ দীর্ঘ ১৭ বছর পর সত্যিকার অর্থে একটি জাতীয় সংসদ তার উদ্বোধনী অধিবেশনে বসেছে গতকাল ১২ মার্চ। যখন ১৩ মার্চ এ পত্রিকাটি আপনার হাতে পৌঁছাবে তখন জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যবিবরণী আপনারা জেনে যাবেন। বস্তুত বৃহস্পতিবার রাতেই আপনারা সব জেনে যাবেন। অথচ আমাকে লিখতে হচ্ছে বুধবার রাতে। তাই বোধগম্য কারণে সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশন নিয়ে কিছু লিখতে পারলাম না। তবে আগের দিন অর্থাৎ বুধবার কিছু ধারণা পেয়েছি। সে অনুযায়ী অন্তত এটুকু বলতে পারি, কয়েকটি প্রধান বিষয়ে কী কী ঘটেছে।
গত বুধবার বিএনপি পার্লামেন্টারি সদস্যদের সভায় স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার সিলেক্ট করার দায়িত্ব বিএনপির পার্লামেন্ট সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছেন। সে হিসাবে ধারণা করা যায় যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার পদে কাদের নিয়োগ দেবেন, সেসম্পর্কে তিনি মনস্থির করে ফেলেছেন। ডেপুটি স্পিকারের পদটি বিএনপি বিরোধী দলকে অফার করেছিল। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বলেছে, অফারটি মৌখিকভাবে দেওয়া হয়েছে। লিখিতভাবে আসুক, তখন দেখা যাবে। এ ছাড়া জুলাই সনদে দুজন ডেপুটি স্পিকারের প্রভিশন আছে। একই প্রভিশন বিএনপির ৩১ দফা ঘোষণাপত্রেও রয়েছে। এখন বিএনপি কি জুলাই সনদ অনুযায়ী এ অফার দিল, নাকি তাদের ৩১ দফা অনুযায়ী দিল, সেটিও বিবেচনা করতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনা করে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।