জাহান্নাম থেকে মুক্তি মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সফলতা

প্রথম আলো শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৬, ২১:০৬

ইসলামি বিধানের উদ্দেশ্য হলো দুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে মুক্তি। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। কিয়ামতের দিন তোমাদের কর্মফল পূর্ণমাত্রায় দেওয়া হবে। যাকে অগ্নি হতে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সে-ই সফলকাম এবং পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়।’ (সুরা-৩ আলে ইমরান, আয়াত: ১৮৫)


নাজাত বা মোহমুক্তির উপায় হলো তওবা ও ইস্তিগফার করা। তওবা মানে হলো পাপ ছেড়ে পুণ্যে মনোনিবেশ করা। ইস্তিগফার হলো কৃত অপরাধের জন্য লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং আবার ওই অপরাধ বা পাপ না করার অঙ্গীকার করা ও দৃঢ়সংকল্প হওয়া।


রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান। সব ধরনের কলুষতা, মলিনতা, আবিলতা ও পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত হওয়াই রমজান মাসে সিয়াম পালনের মূল লক্ষ্য। নাজাত মানে মুক্তি, মুক্তি পাওয়া, মুক্তি দেওয়া, মুক্ত হওয়া ও মুক্ত করা। রমজানের নাজাতের অর্থ হলো এই মাসে মানুষ পাপতাপ থেকে মুক্ত হবে, জাহান্নাম থেকে মুক্ত হবে; পাপের আকর্ষণ থেকে মুক্ত হবে। তাগুত ও গায়রুল্লাহর মহব্বত থেকে মুক্ত হবে, দুনিয়ার মহব্বত থেকে মুক্ত হবে। আল্লাহর আজাব ও গজব থেকে মুক্ত হবে।


রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দুনিয়ার আকর্ষণ সব পাপের মূল।’ (মিশকাত: ৫৯, বায়হাকি: ৫২১৩)। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তুমি নিশ্চয় তাদের জীবনের প্রতি সব মানুষ, এমনকি মুশরিক অপেক্ষাও অধিক লোভী দেখতে পাবে। তাদের প্রত্যেকে আকাঙ্ক্ষা করে যদি হাজার বছর আয়ু দেওয়া হতো, কিন্তু দীর্ঘায়ু তাকে শাস্তি হতে দূরে সরাতে পারবে না। তারা যা করে, আল্লাহ উহার প্রত্যক্ষকারী।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ৯৬)


নবী–রাসুলেরা মাসুম বা নিষ্পাপ হওয়ার কারণে তাঁরা শয়তানি কুমন্ত্রণা ও রিপুর তাড়না থেকে মুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া যেসব মুমিন মুসলিম শৈশব থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সব প্রকার পাপ থেকে মুক্ত থাকার সৌভাগ্য লাভ করেন, তাঁদের মাদারজাদ (আজন্ম) অলি বলা হয়। সব মানুষের সঙ্গে শয়তান নিয়োজিত আছে, (সুরা-৫০ কফ, আয়াত: ২৭)। আর জীবনে–মরণে ও ইহকালে–পরকালে একাত্ম সঙ্গী হিসেবে নফস শয়তান তো রয়েছেই।


পবিত্র রমজান মাসে জিন শয়তানকে বন্দী করে রাখা হয়। কিন্তু মানুষ শয়তান ও নফস শয়তান তখনো সক্রিয় থাকে। তাই মানুষ পাপাচার থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারে না। পাপতাপ থেকে পরিপূর্ণভাবে মুক্তির জন্য প্রথমে নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, মানুষ শয়তানের প্রভাবমুক্ত হওয়ার জন্য অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করে সৎ সঙ্গ অর্জন করতে হবে। এ দুটি সুসম্পন্ন হলেই পরিপূর্ণরূপে শয়তানের প্রভাব থেকে আত্মরক্ষা করা যাবে। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আর সত্যবাদীগণের সঙ্গী হও।’ (সুরা-৯ তওবা, আয়াত: ১১৯)।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও