You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পাহাড়ের পথে তিনদিন: কেওক্রাডং থেকে দেবতাখুম

ভ্রমণের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য শুধু জায়গা দেখা নয়—মানুষ, মুহূর্ত আর স্মৃতির ভেতর দিয়ে নিজের ভেতরটাকে নতুন করে আবিষ্কার করা। আমাদের কেওক্রাডং ও দেবতাখুম ভ্রমণটা ঠিক তেমনই ছিল। যেন পাহাড়ের বুকের ভেতর দিয়ে তিনদিনের এক ছোট্ট জীবন।

আমরা ছিলাম সাতজন। রংপুর থেকে এসেছিলেন অগ্রজপ্রতিম ডাক্তার দম্পতি—ডা. হরিপদ সরকার ও ডা. শিলা সরকার। একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, আরেকজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ। দুজনেই শান্ত স্বভাবের মানুষ কিন্তু ভ্রমণপ্রিয়। ছিল জনস্বাস্থ্যকর্মী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা নাজিয়া ইসলাম—ব্যাপক অনুসন্ধিৎসু, তবে স্বভাবে একটু আত্মমগ্ন। তেজগাঁও কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পরিমল বাছাড় রবীন্দ্রনাথ গিলে খাওয়া পাবলিক—সারাক্ষণ রবীন্দ্রসংগীত গুনগুন করে। আর ছিলাম আমি আর আমার সৌখিন বউ ববি—যার কাছে ভ্রমণ মানেই রঙিন স্কার্ফ, নতুন খাবারের খোঁজ আর অবিরাম ছবি তোলা।

এই পুরো ভ্রমণের আয়োজক ও পরিচালক ছিলেন সংস্কৃতিকর্মী ও টিভি প্রডিউসার ত্রিদিব বর্মণ—যে ছবি তোলার ওস্তাদ। যেভাবে শরীর কাৎ করে ছবি তোলে, সেটা দেখতেই বেশি ভালো লাগে। তার রয়েছে দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক, অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা আর সীমাহীন রসবোধ। গানও জানে। ত্রিদিব ছাড়া এমন সুন্দর ট্যুর সম্ভবই হতো না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন