ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা চলছে। ইরানও প্রতিরোধ চালাচ্ছে বীরদর্পে। পালটাপালটি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আকাশপথে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি তেল ও এলএনজির আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্রুত বাড়ছে। বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা অস্থিতিশীল হয়ে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্ষতি আরও গভীর হবে এবং তা কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়বে। বিশ্বকে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থা ও কৌশল খুঁজতে হবে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সর্বশেষ যৌথ সামরিক হামলা গত আট মাসে দ্বিতীয় সমন্বিত আঘাত; যার ঘোষিত লক্ষ্য হলো, ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং তেহরানের নেতৃত্বের ওপর সর্বাত্মক চাপ সৃষ্টি করা। তবে এ বক্তব্যের আড়ালে আরও একটি গভীর ও ঝুঁকিপূর্ণ লক্ষ্য স্পষ্ট-ইরানের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তনকে উসকে দেওয়া। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পরিসরে সরকার পরিবর্তনের জন্য সহিংস ও আগ্রাসী হস্তক্ষেপের একটি নিকৃষ্ট নজির হিসাবেও বিবেচিত হতে পারে।